রেকর্ড গড়লেন চট্টগ্রামের মিশু

প্রকাশ: ২০১৮-০৩-১৪ ১:৩২:১৯ পিএম
ইয়াসিন | রাইজিংবিডি.কম

ক্রীড়া প্রতিবেদক: ওয়ালটন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের দশম রাউন্ডে আবাহনীর ইনিংস একাই ধসিয়ে দিয়েছেন ইয়াসিন আরাফাত মিশু।

গাজী গ্রুপের এ পেসার বল হাতে পেয়েছেন ৮ উইকেট। প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৮ উইকেট পাওয়ার রেকর্ডও গড়েছেন তিনি। তার বোলিং তোপে আবাহনী লিমিটেডের ইনিংস গুটিয়ে গেছে ১১৩ রানে। 

৮.১ ওভারে ১ মেডেনে ৪০ রানে ৮ উইকেট পেয়েছেন ডানহাতি এ পেসার। এছাড়া বাকি দুটি উইকেট পেয়েছেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলের স্পিনার টিপু ‍সুলতান।

মিশুর বোলিং তোপে মাথা তুলে দাঁড়ান মোহাম্মদ মিথুন ও মানান শর্মা। মিথুন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪০ এবং মানান শর্মা সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন।  এনামুল হক বিজয় ওপেনিংয়ে নেমে করেন ১০ রান। এছাড়া বাকি সাত ব্যাটসম্যানই দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেনি। রানের খাতা খুলতে পারেনি ৫ ব্যাটসম্যান।

রানের খাতা খুলতে না পারা প্রতিটি ব্যাটসম্যানের উইকেট পেয়েছেন মিশু। ৮ উইকেট পাওয়ার পাশাপাশি হ্যাটট্রিকের সুযোগ তৈরি করেছিলেন। কিন্তু রেকর্ড গড়ার দিনে হ্যাটট্রিকের স্বাদ পাওয়া হয়নি তার। ইনিংসের ২৩তম ওভারে একে একে ফিরিয়েছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা, সানজামুল ইসলাম ও আরিফুল ইসলাম সবুজকে। প্রথম দুই বলে দুই উইকেট পাওয়ার পর পঞ্চম বলে সবুজকে আউট করেন।

তার উইকেট পাওয়ার শুরুটা হয়েছিল সাইফ হাসানকে দিয়ে। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সতীর্থ সাইফ হাসান ১ রানে ক্যাচ দেন নাঈম হাসানের হাতে। এক বলের ব্যবধানে শান্তকেও আউট করেন মিশু।

আবাহনীর নাসির হোসেন তার বলে ক্যাচ দেন উইকেটের পিছনে। একই ওভারের চতুর্থ বলে তার শিকার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। প্রথম স্পেলে ৫ ওভার বোলিংয়ে ২৩ রানে পান ৪ উইকেট।

২১তম ওভারে চট্টগ্রামের এ পেসার ফেরেন নিজের দ্বিতীয় স্পেলে। প্রথম ওভারে পাননি কোনো উইকেট। তবে ২৩তম ওভারের প্রথম বলে মাশরাফিকে ফিরিয়ে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেটের স্বাদ পান ১৯ বছর বয়সি এ পেসার। এরপর একে একে ওই ওভারে তুলে নেন সানজামুল ও সবুজের উইকেট।

৯৩ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে আবাহনীর শতরানের আগে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। শেষ দিকে মানান শর্মার প্রতিরোধে অন্তত তিন অঙ্কের স্বাদ পায় শিরোপা প্রত্যাশী দলটি। তবে ভারতীয় এ ব্যাটসম্যানকে বেশিক্ষণ টিকতে দেননি মিশু। আবাহনী শিবিরে শেষ ধাক্কাটিও দেন তিনি। ২৭তম ওভারের প্রথম বলে মানান শর্মা ক্যাচ দেন নাঈম হাসানের হাতে। তাতেই আবাহনী গুটিয়ে যায় ১১৩ রানে।

প্রসঙ্গত, লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে বাংলাদেশের সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড ছিল আব্দুর রাজ্জাকের। ২০০৩-০৪ মৌসুমে ঢাকায় জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের বিপক্ষে ১৭ রানে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন বাঁহাতি এ স্পিনার।

এর আগে ২ ম্যাচে মাত্র ১ উইকেট পেয়েছিলেন চট্টগ্রামের প্রতিভাবান এ পেসার। আজ ফতুল্লায় নিজের তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নেমে বড় কীর্তি গড়লেন। এবার লক্ষ্য সামনে এগিয়ে চলা। 



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৪ মার্চ ২০১৮/ইয়াসিন/আমিনুল

   
 



আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

বার্সার রেকর্ড রাজস্ব আয়

২০১৮-০৭-১৭ ৫:০২:১১ পিএম

যে ৮ বিষয় গুগলে খুঁজবেন না

২০১৮-০৭-১৭ ৪:৪৩:৫২ পিএম

শতাধিক প্রেক্ষাগৃহে ‘সুলতান’

২০১৮-০৭-১৭ ৪:০৩:৪৬ পিএম