চার সেঞ্চুরির ম্যাচে আবাহনীর জয়

প্রকাশ: ২০১৮-০৩-৩০ ৭:২৫:৫৮ পিএম
আবু হোসেন পরাগ | রাইজিংবিডি.কম

ম্যাচসেরা হয়েছেন এনামুল হক বিজয়। ছবি: সাহেল মিয়া

ক্রীড়া প্রতিবেদক : আবাহনীর দুই ব্যাটসম্যান সেঞ্চুরি করেছেন। দুজন আবার দুইশ রানের জুটিও গড়েছেন। পাল্টা জবাবে জোড়া সেঞ্চুরি এলো প্রাইম দোলেশ্বরের ইনিংসেও। সেই দুজনও গড়লেন দুইশ রানের জুটি। তবে শেষ হাসি হাসলেন আবাহনীর দুই সেঞ্চুরিয়ান এনামুল হক বিজয় ও নাজমুল হোসেন শান্ত। বৃথা গেছে দোলেশ্বরের ফজলে মাহমুদ ও মার্শাল আইয়ুবের সেঞ্চুরি। চার সেঞ্চুরির ম্যাচটি ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে ২০ রানে জিতেছে আবাহনী।

সাভারের বিকেএসপিতে শুক্রবার আগে ব্যাট করতে নেমে ৪ উইকেটে ৩৯৩ রান করেছিল আবাহনী। প্রিমিয়ার লিগে তো বটেই, বাংলাদেশের মাটিতে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটেই সর্বোচ্চ রান এটি। দলীয় রেকর্ডের আগে হয়েছে জুটির রেকর্ডও। উদ্বোধনী জুটিতে ২৩৬ রান যোগ করেন বিজয় ও শান্ত। প্রিমিয়ার লিগে সর্বোচ্চ রানের উদ্বোধনী জুটির রেকর্ড এটি। যেকোনো উইকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
 


এবারের ওয়ালটন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে শান্ত পেয়েছেন তৃতীয় সেঞ্চুরি। ১০৬ বলে ১২ চার ও ২ ছক্কায় ১২১ রান করেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পাওয়া বিজয় ১২৬ বলে ৭ চার ও ৬ ছক্কায় খেলেন ১২৮ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। এ ছাড়া হনুমা বিহারীর ৩৬ বলে ৬৬ ও মোহাম্মদ মিথুনের ২৪ বলে ৪৭* রানের দুটি ঝোড়ো ইনিংসে রানের পাহাড় গড়ে আবাহনী।

প্রায় চারশ রানের লক্ষ্য তাড়ায় দোলেশ্বরের শুরুটা মোটেই ভালো হয়নি। প্রথম ছয় ওভারের মধ্যেই ফেরেন দুই ওপেনার লিটন দাস (১৪) ও ইমতিয়াজ হোসেন (১২)। দোলেশ্বরের স্কোর তখন ২ উইকেটে ৩৩।

এরপরই পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন মাহমুদ ও মার্শাল। দুজনের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৩০ ওভার শেষে দোলেশ্বরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২ উইকেটে ২১৭। জয়ের জন্য শেষ ২০ ওভারে দরকার ১৭৭ রান। দুই ব্যাটসম্যানই তখন নম্বইয়ের ঘরে। দোলেশ্বর শিবিরে তাই আশাও জেগেছিল।

কিন্তু এরপরই বৃষ্টি নামে বিকেএসপিতে। দীর্ঘক্ষণ বন্ধ থাকার পর আবার যখন খেলা শুরু হলো, ৫ ওভারে দোলেশ্বরের প্রয়োজন ৬১ রান। কিন্তু বৃষ্টিতে দোলেশ্বরের ব্যাটিংও যেন বদলে যায়, তাই লক্ষ্যেও পৌঁছাতে পারেনি। আরেকবার নামা বৃষ্টিতে পাঁচ বল বাকি থাকতেই শেষ হয়েছে ম্যাচ। ৩৪.১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে দোলেশ্বর করে ২৪৪ রান।


দোলেশ্বরের প্রাপ্তি শুধু ফজলে ও মার্শালের সেঞ্চুরি। ৮৭ বলে ৯ চার ও ৪ ছক্কায় ঠিক ১০০ রান করেন ফজলে। ৮৮ বলে ৯ চার ও ৩ ছক্কায় ১০৮ রানে অপরাজিত ছিলেন মার্শাল। দুজনের ২০৭ রানের তৃতীয় উইকেট জুটি প্রিমিয়ার লিগে যৌথভাবে পঞ্চম সর্বোচ্চ।

আবাহনীর পেসার তাসকিন আহমেদ ৩ উইকেট পেলেও ৬ ওভারে দিয়েছেন ৬২ রান। লিগের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি মাশরাফি বিন মুর্তজা এদিন কোনো উইকেট পাননি। ৭ ওভারে ৩৪ রান দিয়েছেন জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়ক। ম্যাচসেরা হয়েছেন বিজয়।

সুপার লিগের এই জয়ে শীর্ষে থাকা আবাহনীর পয়েন্ট হলো ২০, ১৪ ম্যাচ শেষে। এদিন জয় পাওয়া অন্য দুই দল লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ ও শেখ জামালের পয়েন্ট সমান ১৮। তবে নেট রানরেটে এগিয়ে রূপগঞ্জ দুইয়ে, শেখ জামাল তিনে আছে।

 

 

রাইজিংবিডি/ঢাকা/৩০ মার্চ ২০১৮/পরাগ

   
 


Walton AC

আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

২০৫ বলে ১ বাউন্ডারি!

২০১৮-১২-১৫ ৯:৪৮:৫০ এএম

টিভিতে আজকের খেলা

২০১৮-১২-১৫ ৮:৩৫:১৪ এএম

জ্বলে-পুড়েও মুগ্ধ দহন’র দর্শক

২০১৮-১২-১৫ ৮:০৭:৫২ এএম