বৈশাখের স্মৃতিগদ্য || ইমদাদুল হক মিলন

প্রকাশ: ২০১৮-০৪-১৪ ৭:৫৩:৪১ এএম
ইমদাদুল হক মিলন | রাইজিংবিডি.কম

পয়লা বৈশাখের ভোরবেলা থেকে তুমি একটিও মিথ্যা বলবে না, কারো সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করবে না, কারো মনে দুঃখ দেবে না। শুধু ভালো কাজ করবে, ভালো কাজ। তাহলে সারাটা বছরই কাটবে তোমার ভালো কাজ করে। আর যারা ভালো কাজ করে তারাই ভালো মানুষ। তাদেরকেই লোকে ভালোবাসে। তারাই হয় দেশের শ্রেষ্ঠ মানুষ। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে এই কথাটা আমরা যেন সবাই মনে রাখি

 

|| আমার পয়লা বৈশাখ ||

কাঁচাটেকা জিনিসটা কী রে মামু?
আলমগির আমার মুখের দিকে তাকালো। একটু বিরক্ত, একটু রুক্ষ গলায় বলল, কাঁচাটেকা চিনছ না বেডা? তুই একটা ভোদাই (বোকা)।

আমি একটু লজ্জা পেলাম।

কত বয়স আমার তখন? ছ’সাত বছর! ’৬১/’৬২ সালের কথা। আলমগিরও আমার বয়সি। সে আমার মায়ের মেজো চাচার দ্বিতীয় পক্ষের ছোট ছেলে। পাকা গাবের মতো হলদেটে গায়ের রং। খাড়া নাক। চেহারা ফুটফুটে সুন্দর। সম্পর্কে আমার মামা। একই বয়সি বলে আমি তাকে ‘মামু’ ডাকি সেও আমাকে ‘মামু’ ডাকে। তবে আমাকে মাঝে মাঝে শাসনও করে।

ওই বয়সেই আলমগির দুনিয়ার পাকনা। বহু কিছু জানে। আমি একটু বোকাসোকা টাইপের। অনেক কিছুই জানি না। এজন্যই ‘কাঁচাটাকা’ জিনিসটা কী আলমগিরের কাছে জানতে চেয়েছি। কিন্তু বিক্রমপুরের ভাষায় সে আমাকে ‘ভোদাই’ বলেছে শুনে আমার মন খারাপ। মুখটা বিষণ্ন হয়েছে। আলমগির এটা খেয়াল করল। করেই আমার কাঁধে হাত রাখল। নরম শান্ত মায়াবী গলায় বলল, কাঁচাটেকা হইল পয়সার মতন। আধলির থিকা বড়, একটু বেশি ওজন, ওইটা হইল কাঁচাটেকা। আর কাগজের নোট যেইটা ওইটা হইল ‘পাঁকাটেকা’ বুজছস মামু?

আমি বুঝদারের মতো মাথা নাড়লাম। বুজছি, বুজছি।

সে এক পয়লা বৈশাখের ভোরবেলা। আমি আর আলমগির কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছি। আমার নানাবাড়ির দক্ষিণ দিককার বাড়িটি মিয়াবাড়ি। সেই বাড়ির পাশ দিয়ে সরু পায়ে চলাপথ। পথের ধারে হিজল বরুণ তেঁতুল আর বেশ কয়েকটা গাবগাছ। তারপরই ছোট্ট একটা জংলা মতন জায়গা। মুখ বরাবর একটা ছাড়াবাড়ি, নানারকম গাছপালা আর জঙ্গলে ভরা। একটা উঁচু তালগাছ আছে। ওটা হলো গুহের বাড়ি। এলাকার লোকে বলে ‘গুয়ের বাড়ি’। এই বাড়ির পশ্চিমে মনীন্দ্র ঠাকুরের বিশাল বাড়ি। বাড়ির পুবপাশে পুকুর, ভিতরেও একটা পরিত্যক্ত পুকুর। আর শয়ে শয়ে আমগাছ, নানা রকমের ফলগাছ, বাঁশঝাড়, গাবগাছ। কতগুলো গাছের নামই আমরা ওই বয়সে জানি না। আট-দশ বিঘার বিশাল বাড়িটার পশ্চিম পাশে, পুকুরের ওপারে নিচু ধরনের একটা টিনের ঘর। একটা থত্থুরে বুড়ি থাকতো। চোখে দেখতো না। থালা বাসন ধুতে গিয়ে পা পিছলে ওই পুকুরে পড়ে গিয়েছিল। গভীর পুকুর। পরেরদিন বুড়ির লাশ ভেসে উঠেছিল।

ওই ঘরটা ধীরেন্দ্র চৌধুরীর। চৌধুরীর সঙ্গে মনীন্দ্র ঠাকুরের কোনো রক্তসম্পর্ক নেই। সে ছিল একটু লোভী ধরনের লোক। স্ত্রী ছেলেমেয়ে কলকাতায়, সে পড়ে থাকতো মনীন্দ্র ঠাকুরের বাড়িতে, হয়তো বা সম্পত্তির লোভে। ঠাকুরের কেউ নেই। বিয়ে করেছিলেন, স্ত্রী কী কারণে গায়ে আগুন ধরিয়ে আত্মহত্যা করেন। তারপর থেকে ঠাকুর একা। ব্রাহ্মণ মানুষ, তাঁর রান্নাবান্না করে চৌধুরী, মজিদ নামে হাজাম বাড়ির এক যুবক তাঁর কম্পাউন্ডার। বর্ষাকালে ঠাকুরের ছইঅলা নৌকা বায় মজিদ। ঠাকুরকে নিয়ে এই গ্রাম ওই গ্রামে যায়। নৌকার ভিতর ধপধপে সাদা ধুতি পাঞ্জাবি পরে চারদিক আলোকিত করে বসে থাকেন ঠাকুর।

আমি আর আলমগির যাচ্ছি সেই ঠাকুরের কাছে। আলমগির কার কাছে শুনেছে, পয়লা বৈশাখের দিন সকালবেলা আমাদের বয়সি কেউ ঠাকুরের কাছে গেলেই তাকে তিনি একটা কাঁচাটাকা ধরিয়ে দেন। মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করে বলেন, বৈকালে এই টেকা লইয়া গলুইয়ায় যাইছ। রসোগোল্লা কিনা খাইচ।

আমরা দুজন যাচ্ছি কাঁচাটাকার লোভে। যদি সত্যি সত্যি দুজনে দুটো টাকা পাই?

আমার পয়লা বৈশাখ মানে ছেলেবেলা, বিক্রমপুরের মেদিনীমণ্ডল গ্রাম, মনীন্দ্র ঠাকুর আর কালিরখিলের মেলা। পয়লা বৈশাখে এখনও আমার মন চলে যায় ফেলে আসা সেই দিনে, সেই গ্রামে। এখনও চোখ বুজে, চোখ খুলে দেখতে পাই বিক্রমপুরের মেদিনীমণ্ডল গ্রাম, বিস্তীর্ণ ধানের খেত, উদাস মাঠখানির ওপাশে সূর্য ডুবে যায়। গৃহস্থবাড়ির গাছপালায় দিনমান হাওয়া বয়, পাখি ডাকে। হিন্দু মুসলমান গলাগলি করে দিন কাটায়, আর গ্রাম আলোকিত করে থাকেন এক মানুষ, মনীন্দ্র ঠাকুর। রাজপুরুষের মতো দেখতে তিনি। পেশায় ডাক্তার। পাশ করা ডাক্তার বলতে যা বোঝায় তা নন। কিন্তু অসাধারণ হাতযশ। তাঁকে দেখলেই অর্ধেক ভালো হয়ে যায় রোগী। সব রকমের চিকিৎসা জানেন। অ্যালোপ্যাথি, হোমিওপ্যাথি, আয়ুর্বেদীয় এমনকী টোটকা ইত্যাদিও। দেশগ্রামের লোক তাঁকে মাথায় করে রাখে। এতো আমুদে মানুষ, হাসি আনন্দে ভরা, গ্রামের যুবকদের তিনি নয়নমণি। নাটক থিয়েটার করছেন, গান করছেন, ফুটবল খেলার আয়োজন করছেন, একাই যেন উৎসবমুখর করে রেখেছেন গ্রামখানি।

পয়লা বৈশাখের দিন মেলা বসে কালিরখিলের মাঠে। লোকে বলে ‘গলুইয়া’।

এক টাকা মানে বিশাল ব্যাপার। মনীন্দ্র ঠাকুর মানুষ ভালোবাসতেন, দেশ ভালোবাসতেন। দেশভাগের পর পূর্ব বাংলা উজাড় করে, স্টিমারে উপচে পড়া ভিড়, মানুষের চাপে মানুষ মরে যাচ্ছে, এই করে করে যখন হিন্দু সম্প্রদায় তাদের আজন্মের বাসভূমি ত্যাগ করছে, পশ্চিমবঙ্গ থেকেও একই ভাবে প্রিয়ভূমি ফেলে চলে আসছে মুসলমানরা, বিশাল এক মানবিক বিপর্যয় ঘটে যাচ্ছে এই উপমহাদেশে, তখন বিক্রমপুর প্রায় ফাঁকা হয়ে গিয়েছিল। বিক্রমপুরের হিন্দু বাড়িগুলো রাতারাতি হয়ে যাচ্ছে ছাড়াবাড়ি। অর্থাৎ বাড়ি ছেড়ে যাচ্ছে গৃহস্থলোক। শূন্য ঘরদুয়ার পড়ে থাকছে। মুসলমানরা দখল করে নিচ্ছে হিন্দুদের ছেড়ে যাওয়া বাড়িগুলো। ঠিক একই অবস্থা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গেও। মুসলমানদের ফেলে আসা বাড়ি দখল করছে হিন্দুরা। এই অবস্থায় মেদিনীমণ্ডল গ্রামের হিন্দুরাও বিক্রমপুরের অন্যান্য গ্রামের হিন্দুদের মতো গ্রাম ছেড়েছিল। মনীন্দ্র ঠাকুর ছাড়েননি। মাটির টানে, মানুষের টানে তিনি রয়ে গিয়েছিলেন সব ডরভয় উপেক্ষা করে।

এই অসাধারণ দেশপ্রেমিক মানুষটি এক বর্ষার রাতে খুন হয়ে গেলেন। পঁয়ষট্টি সালের কথা। কারা খুন করল তাঁকে, কেন খুন করল, কেউ জানে না। লৌহজং থানা থেকে দারোগা পুলিশ এলো, মুন্সিগঞ্জ থেকে এলো। কয়েকদিন খুবই হইচই, তারপর সব থেমে গেল। খুনিদের একজনও ধরা পড়ল না। তার কয়েক মাস পর সেপ্টেম্বর মাসের ছয় তারিখে শুরু হলো ইন্ডিয়া-পাকিন্তান যুদ্ধ। মনীন্দ্র ঠাকুরের খুনের ঘটনা চিরতরে চাপা পড়ে গেল।

সেই বিশাল বাড়িটার পুবদিককার অংশে থাকতেন মনীন্দ্র ঠাকুর। পুবে পশ্চিমে মুখোমুখি দুটি টিনের ঘর। পশ্চিম দিককার ঘরে ঠাকুর থাকেন, ঘরে একটা পালঙ্ক আর আলমারি ভর্তি অষুদ, কিছু বইপত্র। এক চিলতে নিকোনো উঠোনের পুবপাশের ঘরটায় রান্নাবান্নার ব্যবস্থা, আর কত রকমের যে ফল ফলারি রাখা। বারো মাসে বারো ফলই ধরছে ঠাকুরের বাগানে। সেইসব ফলে রান্নাঘর ভর্তি।

বাড়িতে ওঠার মুখে পায়েচলা পথের দুপাশ হলুদ হয়ে আছে গাঁদাফুলে। ছোট্ট একটা পুজোর ঘর একপাশে। বৈশাখ মাসের ভোরবেলার রোদে ঝকঝক করছে চারদিক। গাছে গাছে পাখি ডাকছে। হাওয়ায় ভাসছে বুনোফুলের গন্ধ। আমি আর আলমগির পায়ে পায়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছি ঠাকুরের উঠোনে। তখনই ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন ঠাকুর। পরনে সাদা ধুতি আর কনুই পর্যন্ত হাতার কোড়াগেঞ্জি। গলায় পৈতে, পায়ে বইলাঅলা খড়ম। আমাদের দুজনকে দেখে এত মায়াবী এক হাসি ফুটল তাঁর মুখে। অতি স্নেহের গলায় ডাকলেন, আয় আয়।

তারপরই আবার ঘরে ঢুকে গেলেন। মুঠোয় করে নিয়ে এলেন দুটো কাঁচাটাকা। আমার হাতে একটা, আলমগিরের হাতে একটা করে টাকা দিয়ে বললেন, গলুইয়ায় যাইচ, খেলনাপাতি কিনিছ, রসোগোল্লা খাইচ। যা।

আমরা দুজন কী যে খুশি! যা ভেবেছিলাম সত্যি সত্যি তাই ঘটেছে? সত্যি সত্যি দুজনে দুটো টাকা পেয়েছি? তারপর থেকেই অপেক্ষা, কখন দুপুর হবে, কখন কোনো রকমে ভাতটা মুখে দিয়েই চলে যাবো কালিরখিলের মাঠে। সেখানে দুপুরের পর থেকে জমবে মেলা।

কালিরখিলের মাঠ এখনও আছে। ঢাকা মাওয়া সড়কের পাশে, মাওয়ার বাজার ছাড়িয়ে ফেরিঘাটের দিকে যেতেই হাতের ডানপাশে মাঠটি। আমার ছেলেবেলায় কী যে বিশাল সেই মাঠ। দশ-বারো মিনিট লাগবে হেঁটে একমাথা থেকে আরেক মাথায় যেতে। মাঠের দক্ষিণে শুকনো একটা খাল, খালের ওপারে কয়েকঘর বেলদার সম্প্রদায়ের বাস। তারপর আধমাইলখানেক দূরে পদ্মা। পদ্মা তখন সমুদ্রের মতো বিশাল। হা হা করা হাওয়া আর তুমুল ঢেউয়ে দিনরাত মেতে থাকে। মাওয়া বরাবর পদ্মার খোলা তীরে ঘুড়ি উড়াবার উৎসব হতো পয়লা বৈশাখে। দুপুরের পরপর নানারকম ঘুড়িতে ভরে যেতো আকাশ। এক ঘুড়ি গোত্তা মেরে কাটছে আরেক ঘুড়ি। কিশোর ছেলেরা সরু বাঁশের মাথায় শুকনো ডালপালার ঝাঁকা লাগিয়ে ছুটছে কাটা ঘুড়ি ধরতে।

গরুর দৌড়ও হতো ওখানটায়। সেও এক বিরাট উৎসব। ঘোড়ার রেসের মতো ব্যাপার। গৃহস্থরা তাদের তাগড়া জোয়ান দৌড়বাজ গরু নিয়ে আসতো প্রতিযোগিতায়। মাথায় লাল কাপড় বাঁধা গরুগুলো কোন মন্ত্রে যে অমন দৌড় লাগাতো, কে জানে।

আলমগির আর আমি গরুর দৌড় দেখতে গেছি। একদল গরু জানপরাণ দিয়ে দৌড়াচ্ছে। দুপাশে দাঁড়িয়ে আছে শয়ে শয়ে দর্শক। হঠাৎ একটা গরু নির্দিষ্ট দিকে না দৌড়ে জনতার দিকে তেড়ে এলো। আমি আর আলমগির ভয়ে এমন একটা দৌড় দিলাম। সেই দৌড়ের কোনো তুলনা হয় না। এক দৌড়ে সোজা কালিরখিলের মাঠ। মাঠে ততক্ষণে বিরাট জমা জমে গেছে ‘গলুইয়া’। প্যা পো শব্দে বাঁশি বাজাচ্ছে কেউ, খেলনা ঢোল বাজাচ্ছে কোনো কিশোর। একপাশে তোকমাদানার মতো শরবত বিক্রি করছে একজন। মাটির তৈরি হাতি ঘোড়া বাঘে ভরে গেছে মাঠ। ময়না টিয়া কত রকমের খেলনা পাখি। মাটির তৈরি খেলনা হাড়ি পাতিল, বিক্রমপুরের ভাষায় বলে ‘টোফা’, টোফা কিনতে ভিড় করেছে কিশোরী মেয়েরা, শিশু কন্যারা। বাঁশ বেতের ঝুড়ি ধামা কুলা, লোহার দা বটি। কাঠের বেলুন পিড়ি জলচৌকি, এসবের পাশাপাশি নানা রকমের মুখরোচক খাবার। নিমকি ভাজা, মুড়লি ভাজা। বিন্নির খই কদমা ফাপা নামের বাতাসা টাইপের গুড়ের তৈরি একটা জিনিস। অন্যদিকে রসগোল্লা লালমোহন বালুসাই চমচম আমৃতি। কত রকমের কত কী, বর্ণনা দিয়ে শেষ করা যাবে না। খেলনাপাতি কিনে, তোকমাদানার শরবত খেয়ে, মিষ্টি খেয়ে, বিন্নির খই বাতাসা আর কদমা কিনেও একটা টাকা শেষ হতে চায় না। বুকের কাছে দুহাতে সেইসব পোটলা-পাটলি ধরে যখন বাড়ি ফিরছি তখন বিলের ওপারে ডুবতে বসেছে সূর্য। পদ্মা থেকে আসছে মনোরম এক হাওয়া।

আহা কোথায় হারিয়ে গেছে সেই সুখের দিন।

নানী বলতেন, বছরের প্রথম দিন, পয়লা বৈশাখ, মিথ্যা বলতে হয় না, কারো সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতে হয় না, কারো মনে দুঃখ দিতে হয় না। যদি বছরের প্রথম দিন মিথ্যা বলো, মানুষের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করো, কারো মনে দুঃখ দাও তাহলে সারাবছরই তুমি মিথ্যা বলবে, মানুষের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করবে, আর মানুষের মনে দুঃখ দেবে। সারাবছর ধরে তুমি হয়ে যাবে একজন ‘খারাপ মানুষ’। এজন্য বছরের প্রথমদিন, পয়লা বৈশাখের ভোরবেলা থেকে তুমি একটিও মিথ্যা বলবে না, কারো সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করবে না, কারো মনে দুঃখ দেবে না। শুধু ভালো কাজ করবে, ভালো কাজ। তাহলে সারাটা বছরই কাটবে তোমার ভালো কাজ করে। আর যারা ভালো কাজ করে তারাই ভালো মানুষ। তাদেরকেই লোকে ভালোবাসে। তারাই হয় দেশের শ্রেষ্ঠ মানুষ। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে এই কথাটা আমরা যেন সবাই মনে রাখি।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৪ এপ্রিল ২০১৮/তারা

   
 


Walton AC

আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

সাফল্যে রঙিন বছর

২০১৮-১২-১৫ ১০:৫২:৩২ পিএম

যে ২৫ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না

২০১৮-১২-১৫ ৮:৪৬:৫০ পিএম

৩০ ডিসেম্বর ভোটের বিপ্লব হবে : রব

২০১৮-১২-১৫ ৭:৫৯:৫০ পিএম