পৃথক মোটরসাইকেল শিল্পপার্ক স্থাপনের দাবি

প্রকাশ: ২০১৮-১০-১০ ২:২৭:০৭ পিএম
নাসির উদ্দিন | রাইজিংবিডি.কম

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : দেশের উদীয়মান মোটরসাইকেল শিল্পের টেকসই বিকাশের লক্ষ্যে একটি মোটরসাইকেল শিল্পপার্ক স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন এ শিল্পখাতের উদ্যোক্তারা।

বুধবার শিল্প মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ মোটরসাইকেল অ্যাসেম্বলারস্ অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএএমএ) নেতারা শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর সঙ্গে বৈঠককালে এ দাবি জানান।

অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা বলেন, ইতোমধ্যে বাংলাদেশে পাঁচটিরও বেশি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান মোটরসাইকেল ম্যানুফ্যাকচারিং শুরু করেছে। ফলে দেশে মোটরসাইকেলের মূল্য প্রায় ৫০ শতাংশ কমে এসেছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে কমপক্ষে আরো চারটি প্রতিষ্ঠান মোটরসাইকেল ম্যানুফ্যাকচারিং শুরু করবে।

বৈঠকে ভারপ্রাপ্ত শিল্পসচিব মো. আবদুল হালিম, বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বেগম পরাগ ও এ.এস.এম ইমদাদুদ দস্তগীর, বিএমএএমএ’র সভাপতি ও উত্তরা মোটর্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান, বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইউশিরো ইশি ও অর্থবিভাগের প্রধান আশিকুর রহমান, টিভিএস অটো বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার রায়, রাসেল ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক শামসুল বাশার, আফতাব অটো মোবাইলস্ লিমিটেডের ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপক শাহাদাত হোসেন মিয়া, স্পিডোস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহদাদুর রহমান এবং এসিআই মোটরস্ লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা মোটসাইকেল শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘জাতীয় মোটরসাইকেল শিল্প উন্নয়ন নীতি-২০১৮’ প্রণয়নের জন্য শিল্পমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ নীতি প্রণয়নের ফলে দেশে উদীয়মান শিল্পখাত হিসেবে মোটরসাইকেল শিল্প আত্মপ্রকাশ করেছে। ইতোমধ্যে এখাতে কয়েক হাজার দক্ষ জনবল সৃষ্টির পাশাপাশি দেড় হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এ শিল্পখাত বিলিয়ন ডলার ইন্ডাস্ট্রিতে পরিণত হবে। তারা এ শিল্পখাতের সুষম বিকাশে মোটরসাইকেল নিবন্ধন খরচ যৌক্তিক পরিমাণে নির্ধারণসহ নীতিমালার কয়েকটি দিক সংশোধনের জন্যও আহবান জানান। 

বৈঠকে শিল্পমন্ত্রী বলেন, দেশে মোটরসাইকেল শিল্প বিকাশের ফলে জনগণের যাতায়াতে সুবিধার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে শিক্ষিত বেকারদের জন্য এ শিল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ অবারিত করেছে। উদ্যোক্তাদের মোটরসাইকেল সংযোজনের পরিবর্তে ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পখাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

আমির হোসেন আমু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার জনগণের জন্য সব ধরনের সেবা সহজলভ্য করতে কাজ করে যাচ্ছে। জাতীয় অর্থনীতিতে মোটরসাইকেল শিল্পখাতের গুরুত্ব অনুধাবন করে সরকার ‘জাতীয় মোটরসাইকেল শিল্প উন্নয়ন নীতি-২০১৮’ প্রণয়ন করা হয়েছে। জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করে নতুন এ শিল্প বিকাশের পথে উদ্ভুত যে কোনো সমস্যার সামাধানে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভব সব ধরনের নীতি সহায়তা প্রদান অব্যাহত থাকবে।




রাইজিংবিডি/ঢাকা/১০ অক্টোবর ২০১৮/নাসির/এনএ

   
 



আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

পুরুষের মেনোপজ : যা জানা জরুরি

২০১৮-১০-১৭ ৯:০৩:৫৩ পিএম

সুজি দিয়ে তালের বড়া

২০১৮-১০-১৭ ৮:৫১:১৮ পিএম

মনোবিদের ক্লাসে ক্রিকেটাররা…

২০১৮-১০-১৭ ৮:৩৫:৫৩ পিএম