‘শিক্ষা খাতের সমস্যা আগামী মেয়াদে নিরসন হবে’

প্রকাশ: ২০১৮-১২-১৮ ৯:০৪:১২ পিএম
আবু বকর ইয়ামিন | রাইজিংবিডি.কম

নিজস্ব প্রতিবেদক : শিক্ষকদের বেতন গ্রেডসহ শিক্ষা খাতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে যে সমস্যা এখনো রয়েছে, আগামী মেয়াদে তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে নিরসনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ।

মঙ্গলবার হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে নির্বাচনী ইশতেহারে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ঘোষণা দেন।

এ সময় তিনি তরুণদের উদ্দেশে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী, বর্তমান শিক্ষাবান্ধব আওয়ামী লীগ সরকার শুরু থেকেই শিক্ষার অধিকার ও মানোন্নয়নকে অন্যতম অগ্রাধিকার খাত হিসেবে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। ২০২৩ সালের মধ্যে মাধ্যমিক শিক্ষা পাবে দেশের ৯৫ শতাংশ শিশু। বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার চর্চা বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণাপত্র তৈরির ক্ষেত্রেও পরিকল্পনা রয়েছে ইশতেহারে।

ইশতেহারে বলা হয়েছে, শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ ও তার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। শিক্ষা পাঠ্যক্রমের লক্ষ্য হচ্ছে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনুসন্ধিৎসা, জ্ঞান আহরণ এবং দেশ ও জাতির অবিকৃত সত্য ইতিহাস জানার অধিকতর সুযোগ সৃষ্টি করা। শিক্ষার মান উন্নয়নে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা হবে। ভাষাজ্ঞান ও গণিতজ্ঞানের গুরুত্ব বিবেচনায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের ভাষা ও গণিত শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।

ইশতেহারে শিক্ষকদের বিষয়ে বলা হয়েছে, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়োগের একমাত্র মানদণ্ড হবে মেধা, যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতা। প্রশ্নপত্র ফাঁস ও নকল পুরোপুরি বন্ধ করার জন্য গৃহীত ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গবেষণায় উৎসাহ ও সহায়তা প্রদান করা হবে। এজন্য বাজেট বৃদ্ধি করা হবে। সকল জেলায় অন্তত একটি প্রাইভেট বা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে।

মাদরাসা শিক্ষায় ধর্মীয় শিক্ষার সাথে কর্মজীবনের প্রয়োজনীয় শিক্ষা প্রদানের জন্য কারিকুলাম যুগোপযোগী করা হবে। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষায় শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করে প্রয়োজনীয় সকল বই বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থায়ও তাদের শিক্ষিত করে গড়ে তোলা হবে। সকল দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাথমিক স্তর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা পর্যন্ত সকল স্তরের বই ছাপানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। প্রতিবন্ধীদেরও মানবসম্পদে পরিণত করা হবে। বাংলাদেশকে সম্পূর্ণভাবে নিরক্ষরতার অভিশাপমুক্ত করা হবে। প্রাথমিকে ঝরে পড়ার হার শূন্যে নামিয়ে আনা হবে। ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত ঝরে পড়ার হার শতকরা ৫ ভাগে নামিয়ে আনা হবে। স্কুল ফিডিং সকল গ্রামে, আধা মফস্বল শহরে এবং শহরের নিম্নবিত্তের স্কুলসমূহে পর্যায়ক্রমে সর্বজনীন করা হবে। প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে, তা অব্যাহত থাকবে ।

ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানের শুরু হয় জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে। পরে আওয়ামী লীগের শাসনামলের উন্নয়নের বিবরণ তুলে ধরা হয় তথ্যচিত্রের মাধ্যমে।

আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক আবদুর রাজ্জাকের স্বাগত বক্তব্যের পর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তারপর মঞ্চে এসে ইশতেহার ঘোষণা শুরু করেন দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৮ ডিসেম্বর ২০১৮/ইয়ামিন/রফিক

   
 


Walton AC

আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

তৃতীয় লিঙ্গের নাদিরা এমপি হতে চান

২০১৯-০১-১৭ ১০:১৯:১১ পিএম

লোকালয়ে বাঘ, মাইকিং করে সতর্ক

২০১৯-০১-১৭ ৯:২৫:১৫ পিএম

আপেল যে কারণে ফ্রিজে রাখবেন

২০১৯-০১-১৭ ৯:১৭:৪৫ পিএম

দুই ‘জিনের বাদশা’ গ্রেপ্তার

২০১৯-০১-১৭ ৯:০৩:৩১ পিএম

রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত

২০১৯-০১-১৭ ৮:৫৬:০৬ পিএম

রান পেতে আত্মবিশ্বাসী আরিফুল

২০১৯-০১-১৭ ৮:৪০:২৩ পিএম