বায়ু দূষণের উৎস চিহ্নিত ও নিয়ন্ত্রণ জরুরি

প্রকাশ: ২০১৯-০৪-০৮ ৯:১৯:১১ পিএম
নাসির উদ্দিন | রাইজিংবিডি.কম

নিজস্ব প্রতিবেদক : বায়ু দূষণের উৎসসমূহ চিহ্নিত ও তা নিয়ন্ত্রণের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ অধিক জরুরি। এজন্য প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে বরাদ্দের মাধ্যমে হোক। বায়ু দূষণ রোধে কেবল প্রকল্প নয়, এর উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে নজরদারিও প্রয়োজন।

সোমবার রাজধানীর কলাবাগানে বাংলাদেশ পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) কার্যালয়ে বায়ু দূষণে হুমকিতে জনস্বাস্থ্য, দূষণ নিয়ন্ত্রণে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন বনাম প্রকল্প ভাবনা শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন বক্তারা।

বক্তারা বলেন, বায়ু দূষণের চিহ্নিত উৎসসমূহ নিয়ন্ত্রণের জন্য লক্ষ্যমাত্র স্থির, লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য অংশীজনের সাথে নিয়ে রোডম্যাপ তৈরি করে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে প্রতিনিয়ত কাজ করে যেতে হবে।

গোলটেবিল বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) চেয়ারম্যান আবু নাসের খান। উপস্থিত ছিলেন পবার সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আব্দুস সোবহান, পবার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. লেলিন চৌধুরী, নাসফের সাধারণ সম্পাদক মো. তৈয়ব আলী, ক্যাব নেতা মহিউদ্দিন আহমেদ, মো. সেলিম প্রমুখ।

বক্তারা জানান, বিশ্বে দূষিত বায়ুর শহরগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে ঢাকা। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা সংস্থা হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউট এবং ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিকস অ্যান্ড ইভালুয়েশনের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদন বলা হয়,  বায়ুদূষণের কারণে বাংলাদেশে বছরে ১ লাখ ২২ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে বলে বলা হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে গত বছর ১৯৭ দিন রাজধানীবাসী দূষিত বাতাসে ডুবেছিল। আগের বছরগুলোতে রাজধানীর বাতাস বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে ১২০ থেকে ১৬০ দিন দূষিত থাকত। অর্থাৎ ঢাকার বায়ুদূষণ সময়ের বিবেচনায়ও বিপজ্জনক হারে বাড়ছে।

বক্তারা আরো বলেন, ঢাকায় মহামারীর বায়ু আকারে দূষণের মাত্রা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। বায়ু দূষণের প্রধান প্রধান উৎসগুলো চিহ্নিত করে সেগুলির উৎস কমানো বা বন্ধ করার ফলপ্রসু উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/৮ এপ্রিল ২০১৯/নাসির/সাইফ

     


Walton AC

আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

আবারো বা‌লিশ নি‌য়ে বিক্ষোভ

২০১৯-০৫-২১ ২:৫০:০৭ পিএম