উত্তর কোরিয়ায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ৩ শতাধিক স্থান চিহ্নিত

প্রকাশ: ২০১৯-০৬-১১ ৩:১৮:২৮ পিএম
শাহেদ হোসেন | রাইজিংবিডি.কম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : উত্তর কোরিয়ায় প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ৩১৮টি স্থান চিহ্নিত করা গেছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি বেসরকারি সংস্থা। এই স্থানগুলিতে বিভিন্ন অপরাধে আটককৃতদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে সরকার।

গত চার বছরে উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা ৬১০ ব্যক্তির সাক্ষাৎকার নিয়েছে দ্য ট্রানজিশনাল জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ নামের একটি সংস্থা। ওই সাক্ষাৎকারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গরু চুরি থেকে শুরু করে দক্ষিণ কোরিয়ার টেলিভিশন চ্যানেল দেখার অপরাধে লোকদের আটক করা হয় এবং তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। নদীর কাছে, মাঠে, বাজারে, স্কুলে এবং খেলার জায়গায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

‘ম্যাপিং দ্য ফেইট অব দ্য ডেড’ শিরোণামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বেসরকারি এই সংস্থাটি জানিয়েছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় এটি দেখার জন্য এক হাজার বা তারচেয়ে বেশি মানুষকে জড়ো করা হয়। যাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় তার পরিবারের শিশুসহ সব সদস্যকে কখনো কখনো সেখানে থাকতে বাধ্য করা হয়। মৃত্যুদণ্ডের পর ওই সব মৃতদেহ কিংবা তাদের সৎকারের স্থানের খবর স্বজনদের খুব কমই দেওয়া হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে এ পর্যন্ত সবচেয়ে কনিষ্ঠ যাকে দেখতে বাধ্য করা হয়েছে তার বয়স ছিল সাত। আটককেন্দ্র কিংবা শ্রম শিবিরে কিছু মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। রাজনৈতিক অপরাধে এসব স্থানে বন্দিদের রাখা হয় এবং তাদেরকে খনি ও গাছ কাটতে বাধ্য করা হয়।

পালিয়ে আসা এক ব্যক্তি জানান, ২০০০ সালের প্রথম দিকে পালিয়ে চীন যাওয়ার চেষ্টার অপরাধে তিন নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে দেখতে বাধ্য করা হয়েছিল ৮০ জন বন্দিকে।

জননিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা ওই সময় বন্দিদের বলেছিলেন, ‘এটা তোমাদের বেলায়ও ঘটতে পারে।’



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১১ জুন ২০১৯/শাহেদ

     


Walton AC

আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

দেশের সংরক্ষিত বন ১৮ লাখ একর

২০১৯-০৬-১৭ ৯:৩৪:৫০ পিএম

সাকিবের ৬০০০

২০১৯-০৬-১৭ ৯:০৮:৩৩ পিএম

আবেদন পড়ে থাকে মাসব্যাপী!

২০১৯-০৬-১৭ ৮:১৬:৫৩ পিএম

যুবক হত্যায় ৫ জনের যাবজ্জীবন

২০১৯-০৬-১৭ ৭:৫১:১৯ পিএম