‘বাঙালি জাতীয়তাবাদ আর প্রান্তিক বাঙালদের জাতীয়তাবাদ এক নয়’

প্রকাশ: ২০১৭-১২-২২ ৯:০১:৪১ এএম
অনার্য মুর্শিদ | রাইজিংবিডি.কম

সাংবাদিক, কথাসাহিত্যিক গবেষক আফসান চৌধুরী দীর্ঘদিন গ্রামবাংলার মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কাজ করছেন। সাংবাদিকতা করেছেন ‘বিবিসি’, ‘দ্য ডেইলি স্টার’, ‘বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর, ‘একুশে টিভি’সহ অনেক গণমাধ্যমে। হাসান হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে ‘মুক্তিযুদ্ধের দলিলপত্র’ প্রকল্পের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। ১৯৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর একটি ‘তাহাদের কথা’ প্রামাণ্যচিত্র, যার বিষয় নারী। ‘বাংলাদেশ-১৯৭১’ নামে তাঁর সম্পাদনায় বেরিয়েছে চার খণ্ডের বই। গবেষণাধর্মী কাজের পাশাপাশি সৃজনশীল সাহিত্যেও রয়েছে তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান। প্রকাশিত উপন্যাস ‘বিশ্বাসঘাতকগণ’ ও ‘বেঁচে থাকার শব্দ’। রয়েছে গল্পগ্রন্থ ও কাব্যগ্রন্থ। আফসান চৌধুরী বর্তমানে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস পড়াচ্ছেন তাঁর গবেষণা, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ভাবনা, প্রকশিতব্য বই এবং আরো কিছু প্রসঙ্গ উঠে এসেছে এই সাক্ষাৎকারে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন অনার্য মুর্শিদ আলোকচিত্র: রাসেল আবেদীন তাজ

অনার্য মুর্শিদ: ‘গ্রামের একাত্তর’ নামে মুক্তিযুদ্ধের ওপর আপনার একটা বই আমরা পেতে যাচ্ছি। শুনেছি পুরো কাজটি ফিল্ড ওয়ার্কের ভিত্তিতে করা।একে আমরা কোন ধরনের ইতিহাস বলতে পারি।ওরাল হিস্ট্রি বা…

আফসান চৌধুরী: ওরাল হিস্ট্রি বলে আলাদা কিছু নেই। সবই ইতিহাস। কোনোটা, কোনোটা লেখা। কথ্য ইতিহাস একটা ফর্ম মাত্র। শিক্ষিত ও ভদ্র লোকেরা ইতিহাস লেখে নথিতে। আর সাধরণ মানুষ ইতিহাসের কথা বলে-এই।

অনার্য মুর্শিদ: আপনার কেন মনে হলো, এই কাজটি মলাটবন্দী করা প্রয়োজন?

আফসান চৌধুরী: আমাদের ইতিহাস সব তো ভদ্র লোকেদের, ক্ষমতাবান শ্রেণির।আমাদের আসল ইতিহাস হওয়ার কথা ছিল সবার।কিন্তু সাধারণ মানুষের বা প্রান্তিক জনগোষ্ঠির ইতিহাস বাদ পড়ে গেছে।

অনার্য মুর্শিদ: আমাদের ইতিহাসটা অনেকটা সেন্ট্রালাইজড। জাতি হিসেবেও কি আমরা এরকম সেন্ট্রালাইজড?

আফসান চৌধুরী: ইতিহাস চর্চা সেন্ট্রালাইজড হলেও জাতি হিসেবে আমরা কখনো সেন্ট্রালাইজড না। প্রান্তিক মানুষের ভাবনা আর ওপরতলার ভাবনা কখনোই এক না। বর্তমান বাংলাদেশের উপরতলায় আছে ‘উপনেবিশিক সংস্কৃতিসৃষ্ট বাঙালি’। আর নিচতলায় আছে প্রান্তিক ‘বাঙাল’। ওপরতলাটা ‘কেন্দ্রীয়’ আর নিচতলাটা ‘প্রান্তিক’। প্রায় সব ইতিহাস বইপুস্তক রচিত হয়েছে সব এই ওপরতলার বাঙালিদের কেন্দ্র করে। কিন্তু বাঙালি জাতীয়তাবাদ আর প্রান্তিক বাংলার জাতীয়তাবাদ এক নয়।

অনার্য মুর্শিদ: ইতিহাস চর্চাকারীরা এমন ‘সেন্ট্রালাইজড’ হলেন কেন বা কীভাবে হলো?

আফসান চৌধুরী: এটা হয়েছে সুবিধাবাদিতার কারণে। আমরা সারাদিন শেখ মুজিব নিয়ে পড়ে থাকার পরও শেখ মুজিবের সংগ্রামটা বুঝতে পারছি না। তার সংগ্রাম বুঝতে পারলে আমরা এতটা ‘কেন্দ্রীয়’ হতাম না। তার সংগ্রামটা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর, তিনি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষ, তিনি ‘বাঙাল’। আমরা শেখ মুজিবের নাম উচ্চারণ করি যদি এই আশায়, যদি কিছু সুবিধা পাওয়া যায়। প্রান্তিক জনগোষ্ঠী কোনটা ছিল সাতচল্লিশের আগে? এই সেই পূর্ববঙ্গই ছিল। তখনও মেজরিটি বলতে গ্রাম বাংলার মানুষই বোঝাত। কিন্তু সুবিধা পেত কারা? সুবিধা পেত কলকাতার লোকজন। কলকতা ছিল বাংলার কেন্দ্র। সবাই এখনও সেই কেন্দ্রীয় সংস্কৃতির খোঁজে আছে। সাতচল্লিশের আগে শেখ মুজিব ও তাঁর মতো মানুষেরা দেশ স্বাধীন হওয়ার কথা ভেবেছিলেন। হঠাৎ করেই কারো মোহভঙ্গ হয় নাই। এটা একটা ধারাবাহিক আন্দোলন, প্রান্তিক মানুষের। করাচি বা ইসলামাবাদের অধীনে একটা দেশ হওয়ার কথা ছিল না কখনো। সেটা হয়েছে সাতচল্লিশ সালে এবং তাঁর নেতৃত্ব দিয়েছেন সোহরাওয়ার্দি। তিনি আর মুজিব এক নন। বাংলাদেশের ইতিহাসবিদেরা এই আলাদাটুকু দেখান না। তারা ভাবেন, দুজনই আওয়ামী লীগ করত, অতএব এক।

এজন্য তারা শেখ মুজিবকে নিজের আদলে বানান। শেখ মুজিবকে তারা ভাবে কলকাতার বাবুর মতো, তাকে বানানো হয় ‘বাঙালি’ জাতীয়তাবাদী হিসেবে, ভদ্র ভাষায় কথা বলা মানুষ। বস্তুত পক্ষে আমি মনে করি, আমাদের দেশে বাঙালি জতীয়তাবাদ না, বাঙাল জাতীয়তাবাদ ছিল। যেটা ছিল প্রান্তিক মানুষের জাতীয়তাবাদ। সেই প্রান্তিক মানুষটি হিন্দু বাঙাল কিংবা মুসলিম বাঙাল যে কোনোটিই হতে পারে। বাংলাদেশ সেই বাঙালদেরই দেশ।

শেখ মুজিবও সেই প্রান্তিক বাঙালদের প্রতিনিধি। জমিদার বাঙালিদের প্রতিনিধি না। এটা স্বীকার করতে দোষ কোথায়? ইতিহাসবিদরা যদি সুবিধা, ভয়, অজ্ঞতা দূর করত আমাদের ইতিহাস এতটা সেন্ট্রালাইজড হতো না। প্রান্তিক মানুষের ইতিহাস রচিত হতো।
 


অনার্য মুর্শিদ: প্রান্তিক মানুষ কি নিজেকে সেরকম বাঙাল ভাবে? নাকি তারাও আসলে এই তথাকথিত বাঙালিদের মতো সেন্ট্রালাইজড হতে চায়?

আফসান চৌধুরী: প্রান্তিক মানুষের কেন্দ্রীভূত হবার ইচ্ছা নাই। তারা কাজ করে, খায়-দায়, ঘুমায়। হ্যাঁ, ইদানীং গ্রামের কিছু উচ্চবিত্ত শিক্ষা এবং উন্নত জীবনের কথা ভেবে শহরে আসছে। উপরতালার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টাও করছে তারা। অনেকে সফল হচ্ছে। রাস্তায় বেরুলে শহরেই এসব প্রান্তিক মানুষের সংস্কৃতি আমরা দেখতে পাই।

অনার্য মুর্শিদ: বিষয়টা কী একটু ব্যাখ্যা করে বলবেন?

আফসান চৌধুরী: এই যেমন আমার বিশ্ববিদ্যালয়েও অনেক মেয়েকে বোরখা পরতে দেখি। মজার ব্যাপার হলো, বোরখা পরা সেই মেয়েটার বেস্ট ফ্রেন্ড গেঞ্জি পরা মেয়েটা। এটা কী করে সম্ভব? আসলে এটাই সম্ভব। কারণ সে যে বোরখা পরেছে এটা কেবল ধর্মীয় কারণে নয়, এটা তার সংস্কৃতি। যেটাকে আমরা প্রান্তিক মানুষের সংস্কৃতি বলি। দুই সংস্কৃতির সাথে কোনো দ্বন্দ্ব নেই বলেই মেয়ে দুটো বন্ধু। হ্যাঁ, দুয়েকজন থাকতে পারে যারা ধর্মীয় কারণে বোরখা পরছে। সেটা উদাহরণ নয় এবং আমি মনে করি, এ নিয়ে আমাদের রাবীন্দ্রিক বাঙালিদের বিচলিত কিংবা দুঃখিত হওয়ার কিছু নেই।

অনার্য মুর্শিদ: তারপরও একটা দ্বন্দ্ব কি আমরা দেখতে পাই না?

আফসান চৌধুরী: আসলে কলকাতার বাবু বাঙালিপনা থেকে আমরা বেরুতে পারছি না। হ্যাঁ, একটা দ্বন্দ্ব সমাজে আছে। কিন্তু সেই দ্বন্দ্ব বাঙালি জাতীয়তাবাদ এবং বাঙালি মুসলমান জাতীয়তাবাদের সঙ্গে নয়। এখানকার দ্বন্দ্বটা হচ্ছে, মধ্যবিত্ত বাঙালির জাতীয়তাবাদ এবং প্রান্তিক বাঙালদের জাতীয়তাবাদের সঙ্গে।

অনার্য মুর্শিদ: আপনার কাজের প্রসঙ্গে আসি। কতদিন ধরে গ্রামবাংলার মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গবেষণা করছেন?

আফসান চৌধুরী: বছর পঁচিশ তো হবেই। আমার গ্রামে যাওয়া শুরু হয়েছে ১৯৭৮ সাল থেকেই। সেই অর্থে সুনির্দিষ্টভাবে দিনের হিসাব বলা যাচ্ছে না। ‘৯০ থেকে আমি বিবিসির জন্য অনেকগুলো রেডিও সিরিজ বানাই। তখন থেকে সংগঠিতভাবে আমি গ্রামের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কাজ করা শুরু করি। ২০০২ সালে দলবল মিলে আমরা কাজ করি, যার ফল হিসেবে ‘বাংলাদেশ ১৯৭১’ নামে চার খণ্ডের একটা সম্পাদিত বই বের করি।

তবে তারও আগে গ্রামেগঞ্জের বিষয়ে কাজ হয়েছে। বাংলা একাডেমির ‘মুক্তিযুদ্ধের দলিলপত্র’-তেও আমার কিছু কাজ আছে, সপ্তম কিংবা অষ্টম খণ্ডে। আমি কানাডা থেকে ফেরত আসার পর, ২০১২ সাল থেকে এ কাজ আবার শুরু করি। সে হিসেবে এটাকে তৃতীয় পর্যা্য়ের কাজ বলা যায়।

অনার্য মুর্শিদ: পুরো কাজ কি একা করছেন?

আফসান চৌধুরী: না না, এই কাজ কি একা সম্ভব! কত মানুষ যে এই ক’বছর আমার সঙ্গে কাজ করেছে! তাদের অনেকের নামও মনে নেই। দুটো নামের কথা বিশেষ করে তোমাকে বলব। মাসুমা বিল্লাহ ও রিফাত আফরোজ। আমরা তিন জেলা ভিক্তিক একটা চালিয়েছি, যেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সাধারণ মানুষের মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতার জরিপভিক্তিক তথ্য সংগ্রহ আগে খুব একটা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছাত্রছাত্রী এই সার্ভেতে যুক্ত হয়েছে, কেস হিস্ট্রি সংগ্রহ করেছে। নানা স্তরের গবেষকরা কাজ করেছে, অনেকে তো মাসের পর মাস গ্রামে থেকেছেন। এভাবেই তথ্য সংগ্রহ হয়েছে।

অনার্য মুর্শিদ: ‘গ্রামের একাত্তর’ ছাড়া ‘নারীর একাত্তর’ ও ‘হিন্দুদের একাত্তর’ গ্রন্থে কীভাবে কাজ হয়েছে?

আফসান চৌধুরী: তথ্যের মূল ভিত্তি হচ্ছে বিভিন্ন পর্যায়ের সংগ্রহ। এ ছাড়া বিশেষভাবে আমরা কাজ করেছি হিন্দু জনগোষ্ঠি ও নারীর অভিজ্ঞতার ইতিহাসের ওপর। বিশেষ করে বিভিন্ন গণমাধ্যমের জন্য। আমাদের মূল কাজ ‘গ্রামের একাত্তর’। এটাকে ভিত্তি করে সংযুক্ত হয়েছে ‘হিন্দুদের একাত্তর’ ও ‘নারীর একাত্তর’ বিষয়ক তথ্য। এতে শহরের জনগোষ্ঠির মানুষের কথাও এসেছে।  


অনার্য মুর্শিদ: আলাদাভাবে হিন্দুদের কোন দিকটি আপনি তুলে ধরতে চেয়েছেন?

আফসান চৌধুরী: আমরা নির্যাতনের দিকটি বেশি তুলে ধরতে চেয়েছি। একাত্তরে তারা নির্যাতনের শিকার হয়েছে শুধুমাত্র জাতিগত কারণে। অন্য কোনো ধর্মের লোককে কিন্তু জাতিগত কারণে মারা হয়নি। কারণ তাদের ধারণা হিন্দু মানেই ইন্ডিয়ান। হিন্দু নির্যাতন মানেই ইন্ডিয়াকে নির্যাতন। হিন্দুদের ও জাতিগত নির্যাতন, তাদের পালিয়ে যাওয়া, আশ্রয় নেয়ার দিকগুলোই বেশি স্থান পাবে এ বইয়ে। এ ছাড়া সব ক্ষেত্রে তাদের টিকে থাকার ইতিহাসই প্রাধান্য পাচ্ছে।  

অনার্য মুর্শিদ: ‘নারীর একাত্তর’-এ কোন দিকটি প্রধান্য পেয়েছে?

আফসান চৌধুরী: ওই সময়ের নানা দিক। অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক। যেহেতু নারী অস্ত্রধারী মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কম। স্বাভাবিকভাবেই নারীর সশস্ত্র সংগ্রামের চেয়ে বেঁচে থাকার যুদ্ধটা বেশি স্থান পাবে। এ ছাড়া যুদ্ধে নারীদের নানা অবদানের কথাও এখানে উল্লেখ থাকবে।

অনার্য মুর্শিদ: কোন কোন জেলায় সার্ভে করেছেন। অর্থাৎ কোন জেলার মানুষের কথা উঠে এসেছে?

আফসান চৌধুরী: সার্ভে হয়েছে তিন জেলায়- কুষ্টিয়া, নোয়াখালী এবং ফরিদপুর।কিন্তু তথ্য উঠে এসেছে আরো বহু জেলার, যেখানে কাজ হয়েছে কেস স্টাডি ভিত্তিক।যেমন, রাজশাহী, ‍খুলনা, নাটোর, ঢাকা ইত্যাদি। বিশেষ করে রাজশাহী ও কুষ্টিয়ায় অনেক বিস্তারিতভাবে কাজ করা হয়েছে ২০০০ সাল থেকে। 

আমরা প্রায় এক হাজার মানুষের সাক্ষাৎকার নিয়েছি। যুদ্ধের সময় সাক্ষাৎকারদাতার বয়স, আর্থ-রাজনৈতিক অবস্থান, রুটি-রুজির উৎস- এই প্রশ্নগুলোই প্রাধান্য পেয়েছে। 

অনার্য মুর্শিদ: কাজগুলো কি আপনার ব্যক্তিগত? নাকি কোনো প্রজেক্টের?

আফসান চৌধুরী: না না। এগুলো সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত কাজ। চাঁদা তুলে, নিজের পয়সা খরচা করে এ কাজ করছি।ফান্ড সংগ্রহের প্রথম দিকের একটা ঘটনা বলি, এই কাজ করতে গিয়ে আমি জয়নুল আবেদীনের একটা চিত্রকর্ম বিক্রি করেছি। চিত্রকর্মটি আমার বাবা দিয়েছিলেন। আমার প্রথম উপন্যাস ছিল ‘বিশ্বাসঘাতকগণ’। এর বিষয় ছিল বাম রাজনীতিতে বিশ্বাসঘতকতা। যাই হোক, উপন্যাসটি উৎসর্গ করেছিলাম বাবা-মাকে। তাঁরা তখন খুশি হয়ে আমাকে ওই চিত্রকর্মটি উপহার দেন। সেটা আমি ২০০৬ সালে সাজু আর্ট গ্যালারির কাছে বিক্রি করি আড়াই লাখ টাকায়। 

অনার্য মুর্শিদ: কাজগুলো কষ্টসাধ্য এবং ব্যয়সাপেক্ষ।

আফসান চৌধুরী: হ্যাঁ, এনসাইক্লোপিডিয়ার জন্য হয়ত আমাকে বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। নইলে আমার পক্ষে তো কাজটা শেষ করা সম্ভব হবে না। দুয়েকজন এগিয়ে আসলে কাজটা অনেক দ্রুত ও সহজ হবে। দেখা যাক, কাজ তো আর থেমে থাকবে না।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/২২ ডিসেম্বর ২০১৭/তারা

   
 



আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

সাহিত্য সংবাদ

২০১৮-০৯-২১ ৯:২১:২৩ এএম

নতুন লড়াইয়ে পুরনো উত্তাপ

২০১৮-০৯-২১ ৮:৩৭:২৯ এএম