ব্রিটেনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে হামলার কৈফিয়ত চান শেখ সেলিম

প্রকাশ: ২০১৮-০২-১৩ ৯:১৭:০৫ পিএম
আসাদ আল মাহমুদ | রাইজিংবিডি.কম

নিজস্ব প্রতিবেদক, সংসদ থেকে : ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড হওয়ায় ব্রিটেনে বাংলাদেশি হাইকমিশনে হামলা হলো কীভাবে? কীভাবে সন্ত্রাসীরা হাইকমিশনে ঢুকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবিসহ হাইকমিশন ভাঙচুর করল? তখন ব্রিটেনের নিরাপত্তারক্ষীরা কী করছিল? তারা কেন বাধা দিল না?’

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে ব্রিটিশ সরকারের উদ্দেশে এসব প্রশ্ন করেন সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের সমালোচনা করে শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, উনারা গরিবের টাকা চুষে বাইরে আরাম-আয়েশ করবে, জুয়া খেলে আরাম-আয়েশ করবে এটা হতে পারে না। হতে দেওয়া হবে না।

দুর্নীতি মালায় সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়ার ডিভিশন পাওয়া নিয়ে বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের জবাবে শেখ সেলিম বলেন, উনারে এত সুন্দর একটা বাড়ি দেওয়া হয়েছে, গোটা জেলাখানাই তো উনারে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কত আরাম-আয়েশে আছে। আর বলে কি উনারে ডিভিশন দেওয়া হয় নাই, অমুক দেওয়া হয় নাই, তমুক দেওয়া হয় নাই। উনাকে কি পাঁচ তারকা হোটেল সোনারগাঁওয়ে রাখতে হবে? চুরি করে টাকা আত্মসাৎ করেছে। উনাকে তো কনডেম সেলে রাখা উচিত।

ব্রিটিশ সরকারের প্রতি প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ সেলিম বলেন, সেদিন বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভেতরে ঢুকে যে হামলা করল, আপনারা কী ব্যবস্থা নিয়েছেন? সেদিন সন্ত্রাসীরা, জঙ্গিরা কীভাবে হাইকমিশনে ঢুকল? আজ যদি আপনাদের হাইকমিশনে ঢুকত সঙ্গে সঙ্গে আমরা ব্যবস্থা নিতাম। আপনারা কী ব্যবস্থা নিয়েছেন? এটা আপনাদের ব্যর্থতা। এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে জড়িত। সে একজন সন্ত্রাসী, জঙ্গি, সাজাপ্রাপ্ত আসামি। আপনাদের ওখানে বসে অপকর্ম করবে, আর আপনারা দেখবেন না, এটা হয় না। অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিন। আর সে যেহেতু ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি তাই তাকে এভাবে বিচরণ করতে দিয়ে আপনারা আপনাদের দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছেন। আপনাদের ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন। তাকে আমাদের সরকারের কাছে হস্তান্তর করুন। এই অপকর্ম থেকে আপনারও রেহাই পান।

খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডের পর লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে হামলার ঘটনা উল্লেখ করে শেখ সেলিম বলেন, তারেকের নির্দেশে কিছু সন্ত্রাসী লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে হামলা করে, ভাঙচুর করে, এমনকি বঙ্গবন্ধুর ছবি পর্যন্ত সেখানে ভাঙচুর করে। বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু মানে স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধু না হলে এই স্বাধীন দেশের নাগরিক হতে পারতাম না। সেই বঙ্গবন্ধুরে কারা আক্রমণ করতে পারে? আক্রমণ করতে পারে পাকিস্তানি এজেন্ট স্বাধীনতাবিরোধী ’৭১ ও ’৭৫ এর পরাজিত শক্তিদের এজেন্টরাই।

তিনি আরো বলেন, হাওয়া ভবনে বসেই এই তারেক জিয়া জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের সঙ্গে বৈঠক করে আওয়ামী লীগকে পুরোপুরি নিঃশেষ করে দিতেই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিল। হামলার পর খুনিদের বিদেশে পালানোর সুযোগ দেওয়ায় প্রমাণ হয়েছে, এই গ্রেনেড হামলার সঙ্গে খালেদা জিয়াও জড়িত ছিলেন। এজন্য সরকারকে অনুরোধ করব, যদি সুযোগ থাকে খালেদা জিয়াকে এক নম্বর আসামি করে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার বিচার তরান্বিত করতে।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮/আসাদ/রফিক

   
 


Walton AC

আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

হাঁসুয়ার কোপে বড় ভাই নিহত

২০১৮-১১-১৬ ৭:৩২:২০ পিএম

পুলিশ কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার

২০১৮-১১-১৬ ৭:০৪:৩৭ পিএম

ধূমপান ছাড়ার পর যা করবেন

২০১৮-১১-১৬ ৭:০১:৪২ পিএম

মারা গেছে নবজাতক শিশুটি

২০১৮-১১-১৬ ৬:৫৬:৫৯ পিএম