জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি

প্রকাশ: ২০১৮-০৮-১৪ ৪:৫৬:৫৫ পিএম
হাসান মাহামুদ | রাইজিংবিডি.কম

সচিবালয় প্রতিবেদক : বুধবার স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস।

দেশব্যাপী যথাযোগ্য মর্যাদা এবং ভাবগাম্ভীর্যের সাথে দিবসটি পালনের উদ্দেশ্যে সরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

এদিন সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রপতি মো.  আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন। এ সময় সশস্র বাহিনী গার্ড অব  অনার প্রদান করবে। এছাড়া ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত হবে।

পরে ঢাকার বনানী কবরস্থানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার পরিবারের শাহাদত বরণকারী সদস্য ও অন্য শহিদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ এবং দোয়া করবেন।

সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এছাড়া সেখানে ফাতেহা পাঠ, সশস্ত্র বাহিনীর গার্ড অভ্ অনার প্রদান এবং মোনাজাত হবে। পাশাপাশি সমাধিস্থলে বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠন টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিস্থলে এবং ঢাকায় ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করবে।

বুধবার ৩২ নম্বর ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর এবং টুঙ্গীপাড়ায় মাজার হতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার সকল কেন্দ্র/ইউনিট থেকে সরাসরি সম্প্রচার করবে। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারের মাধ্যমে অন্যান্য বেসরকারি টিভি চ্যানেল/বেসরকারি বেতার কেন্দ্র যাতে উক্ত অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করে সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

১৫ আগস্ট সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহেও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সারা দেশে মসজিদসমূহে বাদ জোহর বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সুবিধাজনক সময়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বেসরকারি টেলিভিশন ও রেডিও বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে। জাতীয় দৈনিক ও সাময়িকীতে ক্রোড়পত্র প্রকাশ, পোস্টার বিতরণ এবং বঙ্গবন্ধুর ওপর প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, অধিদপ্তর ও সংস্থা জাতীয় কর্মসূচির সাথে সামঞ্জস্য রেখে স্ব স্ব কর্মসূচি পালন করবে।

জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিলসহ জাতীয় কর্মসূচির সাথে সঙ্গতি রেখে নিজ নিজ কর্মসূচি পালন করা হবে।  

দেশের সকল সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালনের জন্য জাতীয় কর্মসূচির সাথে সামঞ্জস্য রেখে স্ব স্ব কর্মসূচি পালন করবে।   

তথ্য মন্ত্রণালয় তার আওতাধীন সংস্থা ও দপ্তরের মাধ্যমে জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আলোকচিত্র প্রদর্শনী, সাময়িকী-নিরীক্ষা, নবারুণ, সচিত্র বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ কোয়ার্টারলির বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ, স্মরণিকা ও বিশেষ নিবন্ধ প্রকাশ, আলোচনাসভা ও অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণ করবে।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৪ আগস্ট ২০১৮/হাসান/সাইফ

   
 



আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ

তামিম ফিরছেন, সাকিবকে পাওয়ার আশা

২০১৮-১১-১৩ ৯:২৯:৩৮ পিএম