বিজ্ঞাপন শিল্পে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায়

প্রকাশ: ২০১৮-০২-১০ ৫:৫৪:১১ পিএম
নজরুল ইসলাম তোফা | রাইজিংবিডি.কম

নজরুল ইসলাম তোফা : শিল্প-সুন্দর মন জীবনের জন্যই সৃষ্টি। সৌন্দর্য্যের শৈল্পিক ব্যবহার যুগ যুগ ধরেই জীবনের সঙ্গে জড়িত। শিল্পের গুরুত্ব অস্বীকার করার উপায় নেই। জোর দিয়ে বলতেই হচ্ছে, বিজ্ঞাপন শিল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প মাধ্যম। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর সৃষ্টির সাহিত্যতত্ত্বে সৌন্দর্য্য সম্পর্কে আলোকপাত করতে গিয়ে বলেছেন: সুন্দরের হাতে বিধাতার পাসপোর্ট আছে, সর্বত্রই তার প্রবেশ সহজ। অর্থাৎ সুন্দর সব কিছুতে খুব সহজে, সর্বত্রই প্রবেশাধিকার পায় মানুষ।

তাই সুন্দরের প্রতি আকর্ষণ মানুষের চিরন্তনী স্বভাব। বিধাতার পাসপোর্টধারী এ সুন্দর শিল্পকলার মধ্যে বিজ্ঞাপনশিল্পও রয়েছে। এটি নিপুণ শিল্পশৈলী মাধ্যম। সাধারণ অর্থে বলা যায়, পণ্যদ্রব্যের পরিচিতি এবং বেচাকেনার জন্যই বিজ্ঞাপন গ্রাহককে আকর্ষণ করার ব্যবসায়িক কৌশল। ব্যবসা বাণিজ্য এবং এর অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য সামনে রেখেই বিজ্ঞাপন শিল্পের গোড়াপত্তন হয়েছে। পণ্যদ্রব্য সম্পর্কে ক্রেতাদের মধ্যে জানাজানি এবং তা ক্রয়ের জন্য এক ধরনের প্রভাবিত করার লক্ষে ভাড়া করা জায়গায় প্রচার অথবা বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে সংবাদ ছাপানোর নামই বিজ্ঞাপন।

বিজ্ঞাপন শিল্পকে বলা চলে বাণিজ্যের প্রসাধন। নারী যেমন প্রসাধন দিয়ে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তোলে, ঠিক তেমনি বিজ্ঞাপন পণ্যকে শিল্পসম্মতভাবে প্রকাশ করে ক্রেতাদের কেনার আগ্রহ বাড়ায়। এটি সেতু বন্ধনের অনবদ্য শিল্প কৌশল। সংবাদপত্রে দেখা যায় অজস্র প্রকারের বিজ্ঞাপন। আবার রেডিওতেও শ্রবণ ইন্দ্রিয়কে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে বিজ্ঞাপন। টেলিভিশনের সামনে বসুন না, সেখানেও চোখ-কান দুটোকে আকৃষ্ট করছে বিজ্ঞাপন। সিনেমা দেখতেও বিজ্ঞাপন দেখা যায়। পথচারী পথ চলতে গেলেও পেয়ে থাকে বিজ্ঞাপনের অনেক দৃষ্টিনন্দন আবহ। লঞ্চ, স্টীমার, রেলগাড়ি, বাস বা বিমান- সব জায়গায় বিজ্ঞাপনের সঙ্গে পরিচয় ঘটবেই। হাট-বাজার, গঞ্জে ও শহরে ক্যানভাসাররা ছায়ার মতো অনুসরণ করবেই বিজ্ঞাপনের পসরা সাজিয়ে। সেলসম্যানেরা দোকানে বিজ্ঞাপন দিয়ে বলেন প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যেতে। এক সময় দেখা গেছে, গ্রামাঞ্চলে, গঞ্জে এবং হাটেবাজারে মুড়ির টিন বা তেলের টিনে শব্দ সৃষ্টি করে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য মজার মজার বিষয়ভিত্তিক বিজ্ঞাপন বা বার্তা প্রচার করা হতো।

বিজ্ঞাপন শিল্প সর্বপ্রথম কোথায় বা কবে থেকে শুরু তার সঠিক ইতিহাস জানা না গেলেও ধারণা করা যায়, অতি প্রাচীন কাল থেকেই বিজ্ঞাপন শিল্প বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে বিভিন্নভাবে ব্যবহার হয়। ছাপাযন্ত্র আবিষ্কারের আগে প্রধানত মুখে মুখে প্রচার করেই বিজ্ঞাপন শিল্পের এমন বৃহৎ কাজটি সম্পাদন করা হতো। সুতরাং বলাই যায় যে, পঞ্চাদশ শতাব্দীতে ইউরোপে বিজ্ঞাপন ব্যবস্থা চালু ছিল। ১১৪১ সালে ফ্রান্সের বৈরী শহরে খুব চিৎকার করে উৎপাদিত পণ্যদ্রবের কথা ঘোষণা করা হতো। ঐ সময় ১২ জন লোকের একটি দল বৈরী শহরে উৎপাদিত পণ্যের জন্য একটি বিজ্ঞাপন কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছিল।

কোম্পানিটিকে ফ্রান্সের আষ্টম লুই স্বীকৃতি দিয়েছিল বৈকি। সম্ভবত এটিই হবে পৃথিবীর প্রথম রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বিজ্ঞাপনী সংস্থা। সুতরাং এই উপ-মহাদেশের দিকে দৃষ্টি দিলে দেখা যায় সর্বপ্রথম বিজ্ঞাপন শুরু, বৌদ্ধধর্ম প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমেই। কিন্তু বিগত শতাব্দীতে এ দেশে বিজ্ঞাপন হয়েছিল ঢোল পিটিয়ে এবং চিৎকার দিয়ে প্রচার করে। অনেক পণ্ডিত ব্যক্তিবর্গদের মতে, বিজ্ঞাপন পোস্টার শুরু প্রচীন গ্রীস ও রোমে। গ্রীস এবং রোমান ব্যবসায়ীরা দোকানে সাইন বোর্ড ছাড়াও কাঠের ফলকে অথবা দেয়ালে বুদ্ধের জীবনযাত্রার নানা ঘটনা চিত্রায়িত করে সেগুলোকে মুখের কথায় এক জায়গা থেকে অন্যান্য জায়গায় ঘুরে ঘুরে প্রচার করত।

১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দে এসে আরও অনেক আধুনিক পদ্ধতির মাধ্যমে ছাপার নানান কায়দা আবিষ্কৃত হয়। যদিও বিলেতে ছাপাখানার প্রবর্তন হয়েছিল উইলিয়াম ক্যাক্সটনের মাধ্যমে ১৪৭৭ খ্রিস্টাব্দে। তখন শুধুমাত্র অক্ষর বিন্যাসেই তা ছাপা বিজ্ঞাপন হয়ে ওঠে। তাকে দোকানে দোকানে লটকিয়ে তাঁর প্রকাশিত বইয়ের বিজ্ঞাপন প্রচার করেছিল। অবশ্য এই বিজ্ঞাপনটি ছিল হ্যান্ড বিলের আকারে ছাপানো। পরবর্তী সময়ে পুস্তক-পুস্তিকা, সাময়িকী এবং সংবাদপত্র ইত্যাদির প্রসার ঘটার সঙ্গে অথবা যোগাযোগ ব্যবস্থার অগ্রগতির ফলে বিজ্ঞাপনের বিভিন্ন দিক জোরালো হয়। সেই সময়ে বিভিন্ন কারণেই বিজ্ঞাপন ব্যবহার হতো। তবে তখন সবচেয়ে বেশিরভাগ বিজ্ঞাপন ছিল উৎপাদিত মালামাল সম্বন্ধে জনসাধারণকে অবহিত করা। পরে আবার লিথোগ্রাফির ব্যবহারে আধুনিক জগতে সর্বপ্রথম রঙিন পোস্টার আর্টের মাধ্যমে বিভিন্ন ধাঁচের বিজ্ঞাপন নির্মাণ করে ফরাসি চিত্রশিল্পী জুলেসেরে। ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দ ফ্রান্সে তাঁর নিজের লিথোগ্রাফিক প্রেস থেকে প্রথম রঙিন বিজ্ঞাপনী পোস্টার বের করেছিল। তারপরেই তিনি থিয়েটার মিউজিক হল, রেস্তরাঁ এবং আরও অজস্র রকমের জিনিসপত্রের বিজ্ঞাপনের জন্য নানান প্রকার রূপ রেখা বেঁধে দিয়েছিলেন। সেটা হলো রঙিন ছবির সঙ্গে খুব কম লেখার সমন্বয় ঘটিয়ে এমন একটি ভিস্যুয়াল জিনিস দাঁড় করা যাতে দূর থেকে সে বিজ্ঞাপনগুলো লোকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। পথচারীরাও সে বিজ্ঞাপনে কী বলতে চাওয়া হয়েছে তা এক ঝলক দেখেই দ্রুত বুঝে নিতে পারতো। অর্থাৎ জ্বলজ্বলে রঙিন ফর্ম, জোরদার লাইন এবং স্পষ্ট অক্ষর মিলিয়ে জুলসেরেই তৈরি করেছিল সেই বিজ্ঞাপন।

বিজ্ঞাপনের সাহায্যেই ব্যক্তি তথা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের প্রয়োজনকে অত্যাবশ্যক করে তুলেছিল পশ্চিম ইউরোপের বিভিন্ন স্থানের অনেক বড় বড় শিল্প-কারখানা। তার সাথে বলা যায়, নতুন পণ্যদ্রব্য বাজারজাতের জন্যই বিজ্ঞাপনের জরুরি প্রয়োজন হয়ে ওঠে। সুতরাং বলা চলে, সর্ব প্রথম আকর্ষণীয়ভাবে যে বিজ্ঞাপনটি বেরিয়েছিল সেটি ১৪৮০ সালে, তা লন্ডনে ছাপা হয়েছিল। বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন শিল্পের ইতিহাস টানার সঙ্গে সঙ্গে মনে করি, এর সঙ্গে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক, ভৌগলিক অবকাঠামো জড়িত। সত্যিকার অর্থে যদি দেশীয় রাজনৈতিক পালাবদলগুলো বাদ দেওয়া হয় এবং যদি বাংলাদেশের অর্থনীতির দিকে দৃষ্টি দেওয়া যায়, তবে দেখা যাবে ভারত উপমহাদেশে শিল্পকারখানা যখন শুরু ঠিক তখনই বিজ্ঞাপন শিল্পের সূচনা। যে সব জায়গায় ক্রেতারা ছিল সেসব জায়গায় বিজ্ঞাপন প্রথা শুরু হয়েছিল। তাদের পণ্যদ্রব পরিচিত করার জন্যেই বিজ্ঞাপন ব্যবস্থা শুরু হয়েছিল। সুতরাং সে অর্থে ঘটা করেই বলা যায়, ভারতে যখন বিজ্ঞাপনের সূচনা হয়েছিল ঠিক তখন থেকে বর্তমানের এই বাংলায় বিজ্ঞাপন শিল্পের শুরু হয়।

বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন শিল্পের শুরু অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষার্ধে অর্থাৎ ইংরেজদের হস্তগত হওয়ার পরপরই বৈকি। এদেশে তখন অনেক সস্তায় প্রিন্ট মেশিন অথবা বিজ্ঞাপন প্রযুক্তি নিয়ে আসে ইংরেজরা। তখন থেকে এ দেশীয় সামান্তবাদ প্রভুরা বা বাবু শ্রেণীর লোকেরা খুব বেশি উৎসাহী হয়ে ওঠে। তারা বিলেত থেকে আসা শিল্পী বা কারিগরদের পৃষ্ঠপোষকতা শুরু করে। সেই সময়েই শিল্পীদের নাম, ঠিকানাসহ তাদের পরিচয় তুলে ধরার জন্যেই এক প্রকার ব্যক্তিগত কৌশলেই বলা যায় বিজ্ঞাপন শিল্প নির্মাণ করেছিল। বিজ্ঞাপনশিল্প আসলে সে সময় সম্পূর্ণরূপে মুদ্রণ যন্ত্রের উপর নির্ভরশীল ছিল। ১৮১৬ খ্রিস্টাব্দে ‘সচিত্র বাংলা’ বইয়ের প্রথম সাক্ষাতেই এর পরিচয় পাওয়া যায়। গঙ্গা কিশোর ভট্টাচার্য দ্বারা প্রকাশিত হয়েছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি আমলে বাংলাদেশে এই বইটি। তারপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ভারত ও বাংলাদেশের মিত্র বাহিনীর স্বপক্ষে বহু পোস্টার, লিফলেটের ভূমিকা এদেশে নতুন একটি ট্রেন্ড তৈরি করে, তা ইংরেজদের প্রভাবে। ভারতীয়দের চৌকস দৃষ্টিভঙ্গির দ্বারাই পরবর্তী সময়ে কংগ্রেস জাতীয়তাবোধ গড়ে তুলতে বিজ্ঞাপন শিল্পের নানান প্রচার প্রচারণার প্রসারতা লাভ করে।

১৯৪৭ সালে ভারত পাকিস্তান ভাগের ফলেই শিল্প কারখানার সিংহভাগ পড়ে যায় পশ্চিম পাকিস্তানে। পণ্যের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন শিল্পের মূল অফিসগুলো পশ্চিম পাকিস্তানে থেকে যায়। তাই সে সময় অনেক মুসলিম তরুণ শিল্পী কলকাতা থেকে ঢাকা আসে। তৎকালীন গোড়া ইসলামী পাকিস্তান সরকার এবং শাসকের বিরুদ্ধে শিল্পের ব্যবহারিক প্রয়োজনীয়তা, বাংলাদেশের উন্নতির স্বার্থেই শিল্পকলার প্রয়োজন যে আছ, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন এ কথা অনুধাবন করেছিলেন। তিনি বিজ্ঞাপনী পোস্টারে প্রতিবাদী হয়েছিলেন। ১৯৪৮ সালে আর্ট স্কুল স্থাপিত হলেও বাংলাদেশে বিজ্ঞাপন শিল্পের চাহিদা খুব কম ছিল। বলা যায়, লোক সংখ্যার তুলনায় শিল্পকারখানা কম থাকার ফলে পণ্যের উৎপাদন তুলনামূলক চাহিদা অনেক বেশি থাকার কারণে নতুন পণ্যদ্রব্য বাজার সৃষ্টি করতে বেশি বেগ পেতে হতো না। এই কারণেই তখন বিজ্ঞাপন শিল্পের প্রতিযোগিতা কম ছিল। আবার পাকিস্তান আমলে ৬০ দশকের বিজ্ঞাপন শিল্পকে লক্ষ্য করলে সেসময় বিজ্ঞাপন প্রচার বাংলাদেশে যতটুকু হয়েছিল, তা শুধুই শিল্পপতিরা পশ্চিম পাকিস্তান থেকে করেছে।

সে সময়ে বাংলাদেশে দু’তিনটি বিজ্ঞাপন সংস্থার নাম উল্লেখ করা যায়। যেমন, এভার গ্রিন পাবলিসিটি কাম আর্ট, গ্রিনওয়েজ অ্যাডভারটাইজিং কর্পোরেশন। তারা প্রসাধনী পণ্যের প্যাকেট ডিজাইন থেকে শুরু করে প্রেস লে-আউট পর্যন্ত করেছে। এই সাফল্যের পাশাপাশি বাংলা চলচ্চিত্রের বিজ্ঞাপনও করেছে। ১৯৭১ সালের পরই বাংলাদেশে বিজ্ঞাপন শিল্পের উন্নতি চোখে পড়ে। বিশেষ করে অডিও ভিস্যুয়ালের অনন্য অবদানের জন্যই বলা যায় যে, দেশীয় টিভি, রেডিও, আফসেট প্রিন্ট খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

যে কোনো দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উপর নির্ভর করে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা। দুটি উদাহরণ দিয়েই বলা যেতে পারে, বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা সুস্পষ্টভাবে বিজ্ঞাপনের সিংহ ভাগ জায়গা দখল করে রেখেছে সরকারী দরপত্র বিজ্ঞাপনগুলো। কোনো শিল্পউন্নত দেশের দৈনিক পত্রিকাগুলোতে দেখা যাবে, শিল্পপতিদের পণ্যের প্রচারের প্রতিযোগিতায় বিজ্ঞাপন আধিক্য। সমাজের পরিবর্তনের সাথে সাথেই ক্রেতাদের মনোভাবের উপরে খুব প্রভাব বিস্তার করে। গ্রামাঞ্চলের মানুষ দৈনন্দিন উৎপাদিত পণ্যদ্রব জনসাধারণের নিকটবর্তী করতে ব্যর্থ ছিল। বলা যায় এক যুগের মতো সময় লেগেছিল দেশের সকল মানুষের কাছে পৌঁছাতে এবং তা সম্ভব হয়েছিল বিজ্ঞাপন শিল্পের বদৌলতে। অবশ্য কলকারখানার কারিগরি পদ্ধতি অনেকাংশেই পরিবর্তন ও তার পাশাপাশি মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের পরিবর্তনেরই বিজ্ঞাপন ধারার অনেক উন্নতি হয়েছে। বাংলাদেশের মুদ্রণ যন্ত্রের ব্যবহার অনেকাংশেই যেন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তাই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ফটোকম্পোজ, ইলেকট্রনিক ট্রান্সমিশন এবং রি-প্রোডাকশন এর নতুন পদ্ধতি চালু করে বাংলাদেশকে এক ধাপ এগিয়ে নিচ্ছে বলা যায়। যার পরিপ্রেক্ষিতে লেজার প্রেস, আফসেট এবং ফ্লোক্সওগ্রাফির অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন কাজের সমন্বয় ঘটিয়ে বহু ধরনের বিজ্ঞাপন নির্মাণ হচ্ছে। বর্তমানে আজ বাংলাদেশে ডিজিটাল প্রযুক্তির আগমনে ত্বরান্বিত হচ্ছে বিজ্ঞাপনশিল্প। আর এই শিল্পের সিংহভাগ পণ্যদ্রবের উৎপাদনকে কাজে লাগিয়ে। আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও গুরুত্বপূর্ণ। তাই উন্নতশীল ডিজিটাল বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা সমৃদ্ধশালী ও পরিচ্ছন্ন হওয়ায় বিজ্ঞাপনের আধিক্য এখন অনেক বেশি।

লেখক : টিভি ও মঞ্চ অভিনেতা, চিত্রশিল্পী, সাংবাদিক



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮/তারা

   
 


Walton AC

আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

অবসরে আগ্নেয়স্কা রাদওয়ানস্কা

২০১৮-১১-১৪ ১০:৪৯:০৮ পিএম

কবে হবে মিরাজের টেস্ট সেঞ্চুরি?

২০১৮-১১-১৪ ৯:১২:৩১ পিএম

‘নির্বাচন এক ঘণ্টাও পেছাবেন না’

২০১৮-১১-১৪ ৮:২১:৫১ পিএম