যে খাবারে পেটের গ্যাস দূর হবে

প্রকাশ: ২০১৮-০২-০১ ১০:২৬:৪০ এএম
এস এম গল্প ইকবাল | রাইজিংবিডি.কম

প্রতীকী ছবি

এস এম গল্প ইকবাল : সবাই একটি চমৎকার চ্যাপ্টা পেট চায়। আপনার এ আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে আদা। আদা আপনার পেটে গ্যাস-উৎপাদনকারী অন্ত্রের অণুজীবকে বাধা দিয়ে পেটফাঁপা হওয়া থেকে আপনাকে রক্ষা করতে পারে।

বিশ্বখ্যাত সংগীতশিল্পী সেলেনা গোমেজ ‘দ্যা লেইট লেইট শো’র জনপ্রিয় অংশ ‘কারপুল কারাওকে’তে জেমস করডেনের কাছে প্রকাশ করেন যে, তিনি প্রতিদিন সকালে আদার রস অথবা কখনো কখনো আদার একটি টুকরো গ্রহণ করেন। এটা অস্বীকার করা যাবে না যে, সেলেনা গোমেজকে ভোগ ম্যাগাজিনে তার প্রথম প্রচ্ছদে সুস্থ ও চমৎকার দেখা গেছে। কিন্তু এতে আদার ভূমিকা কি?

আদার স্বাস্থ্য উপকারিতা প্রসঙ্গে সেলেনা গোমেজ কর্ডনকে বলেন, ‘এটি ভেতরের সবকিছু ধ্বংস করে! খারাপ সবকিছু।’ আদা বিভিন্ন উপায়ে ইমিউন সিস্টেমের উন্নতিসাধন করে, যেমন- টক্সিন অপসারণ করে এবং টি-সেল সক্রিয় করে। আদার মধ্যে এমন কেমিক্যাল থাকে যা প্রদাহ হ্রাস করে। তীব্র প্রদাহ ইমিউন সিস্টেমের সুস্থ কার্যক্রম ব্যাহত করতে পারে।

আদা প্রধানত পাকস্থলী ও অন্ত্রে কাজ করে, প্রাকৃতিকভাবে পাকস্থলীর নানারকম সমস্যা উপশম করে- যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, বমিবমি ভাব ও বদহজম। এটি প্রেগন্যান্সি, মোশন সিকনেস বা যানবাহনে ভ্রমণজনিত অসুস্থতা এবং ক্যানসার চিকিৎসা- এ তিনের ফলে উদ্ভূত সমস্যা উপশম করে। এটি ডাইজেস্টিভ ট্র্যাক্টের গ্যাস কমাতে পারে, যার ফলে পেট ফাঁপা হ্রাস পায়। পেট ফাঁপা হচ্ছে, উদরিক স্থানের ডায়ামিটারে কোনো ফোলা বা স্ফীতি এবং এর সর্বাধিক কমন কারণ হচ্ছে, ডাইজেস্টিভ গ্যাস জমা হওয়া।

যদিও পেট ফাঁপা সাধারণত ডায়েটের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত, তবে অত্যধিক মারাত্মক শারীরিক সমস্যার কারণেও এটি হতে পারে। নিউ ইয়র্কের রেজিস্টার্ড ডায়েটিশিয়ান এলিসা ব্রেমনার পেট ফাঁপা ও ডায়েট সম্পর্কিত সমস্যার জন্য আদাকে প্রাকৃতিক চিকিৎসা হিসেবে গ্রহণ করতে উপদেশ দিচ্ছেন।

আদার স্বাস্থ্য উপকারিতা পেতে হলে একে ‘আদার রস’ হিসেবেই গ্রহণ করতে হবে এমন কোনো কথা নেই। আপনি স্বাস্থ্যকর ঘরোয়া খাবারে কাঁচা আদা অথবা আদা বাটা যুক্ত করে খেতে পারেন। পেটের গ্যাস বা বমিবমি ভাবের চিকিৎসা করতে এবং অবিলম্বে উপসর্গ প্রশমন করতে ডায়েটিশিয়ান ব্রেমনার কাঁচা আদার একটি টুকরো চাবাতে অথবা কাঁচা আদা কুচিকুচি করে কেটে এককাপ গরম পানিতে দিতে পরামর্শ দিচ্ছেন।

আদার স্বাস্থ্য উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও কিছু সম্ভাব্য ঝুঁকি আছে। ডায়েটিশিয়ান ব্রেমনার বলেন, ‘যেকোনো সুপার ফুড অতিরিক্ত খেলে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হতে পারে।’ অনেকে আদা সহ্য করতে পারে না, যেমন- কিছু লোকের মুখে এটি ইরিটেশন সৃষ্টি করে। একটি মারাত্মক বিষয় হচ্ছে, আদার মধ্যে একটি অ্যান্টি-প্লেটলেট অ্যাজেন্ট পাওয়া গেছে যা কিছু ক্ষেত্রে অ্যাসপিরিনের চেয়েও শক্তিশালী। যদি আপনি রক্ত পাতলাকরণের জন্য অ্যাসপিরিন গ্রহণ করেন, তাহলে নিয়মিত আদা খাওয়া ক্ষতিকর হতে পারে। আদা অন্যান্য ওষুধ যেমন- প্রেসক্রিপশন ওষুধ ও ওভার-দ্য-কাউন্টার ওষুধ উভয়ের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করতে পারে, তাই দৈনিক আদা চিকিৎসা নেওয়ার পূর্বে একজন ডাক্তারের সঙ্গে আলোচনা করা ভালো।

তথ্যসূত্র : রিডার্স ডাইজেস্ট



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮/ফিরোজ

   
 



আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন নেইমার

২০১৮-০৭-২০ ১০:৩১:৩৬ পিএম

ফখর অপরাজিত ২১০, জিম্বাবুয়ে ১৫৫!

২০১৮-০৭-২০ ৯:১৯:১৬ পিএম

শেষ ম্যাচে যুবাদের বড় জয়

২০১৮-০৭-২০ ৭:৫১:৪১ পিএম

৫ দিনের সফরে ভারত যাচ্ছেন এরশাদ

২০১৮-০৭-২০ ৬:৫৫:৩৮ পিএম