শেষ ম্যাচে যুবাদের বড় জয়

প্রকাশ: ২০১৮-০৭-২০ ৭:৫১:৪১ পিএম
আবদুল্লাহ এম রুবেল | রাইজিংবিডি.কম

জয়ের পর অনূর্ধ্ব-১৯ দল

আব্দুল্লাহ এম রুবেল : খুলনায় দুই সপ্তাহের ক্যাম্প শেষ হয়েছে বিসিবির হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দলের। শুক্রবার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচের মধ্যে দিয়ে এই ক্যাম্প শেষ হয়েছে।

প্রথম দুই ম্যাচে এইচপি দল জয় পেলেও সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে তারা বাংলাদেশ যুবাদের কাছে একপ্রকার উড়ে গেল। এদিন অনূর্ধ্ব-১৯ দল ১২২ রানের বড় ব্যবধানে এইচপি দলকে হারিয়েছে।

খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ৪৯.৫ ওভারে ২১২ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৩৯.৪ ওভারে মাত্র ৯০ রানেই গুটিয়ে যায় এইচপি দল। এই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছেন এইচপি দলের ইমরান আলী।



টস জিতে এদিন আগে ব্যাট করতে নেমে ২৪ রানের উদ্বোধনী জুটিতে শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি অনূর্ধ্ব-১৯ দলের। এরপর ৪৯ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে তারা আরো বিপর্যয়ে পড়ে। তবে সেখান থেকে দারুণ ব্যাটিং দৃঢ়তায় দলকে সামনে এগিয়ে নেন উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান প্রান্তিক নওরোজ ও শামীম পাটওয়ারী। দুইজনই অর্ধশতের দেখা পান। এই জুটিতে যোগ হয় ১১১ রান।

দলীয় ১৬০ রানে শামীম পাটওয়ারীর আউটে এ জুটি ভাঙে। আউট হওয়ার আগে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৭ রান করেন তিনি। ৭২ বলে ৪টি করে চার ও ছক্কার সাহায্যে এ রান করেন তিনি। এরপর প্রান্তিক নওরোজের সঙ্গে জুটি বাঁধেন রকিবুল হাসান। এই দুজনও ব্যাটিং দৃঢ়তা দেখান। তবে ভালো খেলতে থাকা প্রান্তিক নওরোজ ফিরে যান ৬৪ রান করে। ১১৯ বলে ৩টি চারের সাহায্যে ৬৪ রান করেন তিনি। আর রকিবুল হাসানের ব্যাটে দ্রুত যোগ হয় ৩২ রান। মাত্র ২৮ বলে ২টি চার ও একটি ছক্কা ছিল তার ইনিংসে।

শেষদিকে দ্রুত উইকেট হারাতে থাকলে এক বল বাকি থাকতে ২১২ রান করে অলআউট হয়ে যায় অনূর্ধ্ব-১৯ দল। শেষ ওভারে পরপর তিন বলে তিন উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন এইচপি দলের ইমরান আলী। মোট ৪টি উইকেট নেন তিনি। এ ছাড়া আসিফ ও রবিউল নেন ২টি করে উইকেট। পেস বোলার আল-আমিন হোসেন এদিন ৩ ওভার বল করে উইকেটশূন্য ছিলেন।



জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বোলারদের তোপের মুখে পড়ে এইচপি দলের ব্যাটসম্যানরা। দলীয় ১২ রানে প্রথম উইকেট হারায় তারা। ৪৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত এই বিপর্যয় আর সামলে উঠতে পারেনি এইচপি দল। ৩৯.৪ ওভারে মাত্র ৯০ রানেই অলআউট হয়ে যায়। দলের হয়ে বলার মতো ২০ রান করেছেন হৃদয়। যুবাদের হয়ে মেহেদী হাসান অনি ৩টি ও রুহাল আহমেদ নেন ২ উইকেট। এ ছাড়া একটি করে উইকেট নেন মেহেদী হাসান, নাইম হাসান, রকিবুল হাসান ও শামীম পাটওয়ারী। ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন যুবা দলের অধিনায়ক শামীম পাটওয়ারী।



রাইজিংবিডি/খুলনা/২০ জুলাই ২০১৮/আবদুল্লাহ এম রুবেল/পরাগ

   
 



আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

ঘুরে দাঁড়াতে চায় জিম্বাবুয়ে

২০১৮-১০-২৩ ৪:১৭:২৫ পিএম

অজয়-সাইফের সঙ্গে সালমান!

২০১৮-১০-২৩ ৪:১৫:০৬ পিএম

অব্যাহতি পেলেন সেলিম ওসমান

২০১৮-১০-২৩ ৩:২৬:২৬ পিএম