সমুদ্র সৈকতে মানুষে ঢল

প্রকাশ: ২০১৯-০৮-১৪ ৪:৩৮:৪১ পিএম
সুজাউদ্দিন রুবেল | রাইজিংবিডি.কম

কক্সবাজার প্রতিনিধি : ঈদুল আজহার ছুটিতে পর্যটন শহর কক্সবাজার এখন পর্যটকে ঠাসা। সমুদ্র সৈকতে মানুষের ঢল। পর্যটকদের নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে লাইফ গার্ড, বিচ কর্মী ও পুলিশ। সৈকতে ছয়জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত রয়েছেন বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

পর্যটকদের পদচারণায় মুখর কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট। শুধু সুগন্ধা পয়েন্ট নয়, সমুদ্র সৈকতের অন্য ছয়টি পয়েন্টেও হাজার হাজার মানুষ। দেশের নানা প্রান্ত থেকে ঘুরতে আসা পর্যটকরা এখন সাগর তীরে আনন্দে মাতোয়ারা। সমুদ্র সৈকতে স্নান, বালিয়াড়িতে ঘুরে বেড়ানো, ছবি তোলা, বিচ বাইক ও জেড স্কিতে কাটছে তাদের আনন্দঘন মুহূর্ত।

ঢাকার মিরপুর থেকে আসা পর্যটক জেসমিন সুলতানা বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। এ সৈকত আমাদের বড় সম্পদ। তাই ঈদের ছুটিতে দেশের বাইরে না গিয়ে নিজ দেশের সবচেয়ে সুন্দর এই সৈকত দেখতে ছুটে এলাম।

সিলেট থেকে আসা দুই বন্ধু সিয়াম ও হাসিব বলেন, সিলেটের সব পর্যটন স্পট দেখা হয়েছে। এবার কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত দেখতে চলে এলাম। এখন সৈকতে গোসল করছি। কিছুক্ষণ পর ইনানী ও হিমছড়ি পর্যটন স্পট দেখতে যাব।

রাজিয়া আহমেদ নামে আরেক পর্যটক বলেন, ঈদের ছুটি মানেই পর্যটন নগরী কক্সবাজারে ছুটে আসা। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। পরিবারের সব সদস্যকে নিয়ে কক্সবাজার সৈকতে খুব মজা হচ্ছে। বিশেষ করে, আমার ছোট বাচ্চাটা খুব মজা পাচ্ছে।

সমুদ্র স্নানের নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক সতর্কতামূলক মাইকিং করছে বিচ ও লাইফ গার্ড কর্মীরা। জেলা প্রশাসনের পর্যটন ও প্রটোকল সেলের দায়িত্ব থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাখন চন্দ্র সূত্রধর জানান, ঈদের ছুটিতে বিপুল সংখ্যক পর্যটক কক্সবাজার আসবেন, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু এখন বর্ষা মৌসুমে সাগর যেহেতু উত্তাল এবং ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত অব্যাহত রয়েছে, সেহেতু পর্যটকদের সমুদ্র স্নানে সচেতন হওয়া বেশি প্রয়োজন। প্রশাসন চেষ্টা করছে পর্যটকদের নিরাপত্তায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়ার।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন জানান, ট্যুরিস্ট পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে পর্যটকদের নিরাপত্তায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সৈকত এলাকা, হোটেল-মোটেল জোনের পাশাপাশি পর্যটন স্পট হিমছড়ি, দরিয়ানগর ও ইনানীতেও পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। পর্যটকরা ঈদের ছুটি কক্সবাজারে স্বাচ্ছন্দে কাটাতে পারবে বলে আশা করছি।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই দিনে ৩ লক্ষাধিক পর্যটক কক্সবাজারে এসেছেন। ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ৭ লাখ পর্যটকের সমাগম হতে পারে।


রাইজিংবিডি/কক্সবাজার/১৪ আগস্ট ২০১৯/সুজাউদ্দিন রুবেল/রফিক

     


Walton AC

আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

ওয়ালটনে অগ্নিনির্বাপণ মহড়া

২০১৯-০৮-২৪ ৬:৪৯:১১ পিএম

লেজকাটা টিয়া

২০১৯-০৮-২৪ ৬:৪০:০০ পিএম

এবারও সবচেয়ে বেশি আয় স্কারলেটের

২০১৯-০৮-২৪ ৬:১৩:২১ পিএম

বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ইউটিউব মেসেজিং

২০১৯-০৮-২৪ ৫:১৩:১৭ পিএম