‘আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হলে বিশ্ববিদ্যালয় দুর্নীতিমুক্ত থাকবে’

প্রকাশ: ২০১৯-১০-০৬ ১:৩১:০৫ পিএম
সজীবুর রহমান | রাইজিংবিডি.কম

সম্প্রতি পাবলিক বিশ্বদ‌্যালয়ে উপাচার্য ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, ভর্তি ও নিয়োগ বাণিজ‌্যসহ নানা অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। বিশ্ববিদ‌্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ১৪টি পাবলিক বিশ্ববিদ‌্যালয়ের দুর্নীতির সত‌্যতা যাচাইয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে।

এসব বিষয় নিয়ে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য অধ‌্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে  কথা বলেছেন রাইজিংবিডির ক‌্যাম্পাস লেখক সজীবুর রহমান।

ড. আনোয়ার  বলেন, ‘একমাত্র আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাই পারে বিশ্ববিদ্যালয়কে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে। দুর্নীতিবাজরা সব সময় সুযোগ খুঁজবে। তারা যেন কোনোভাবেই তা করার সুযোগ না পায় এর জন্য আমি ও প্রশাসন সজাগ দৃষ্টি রাখছি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কার্যক্রমে কি কি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে, এমন প্রশ্নে উপাচার্য বলেন, ‘উন্নয়নে সবথেকে বড় বাঁধা বা চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে শহরের নোংরা রাজনীতি এবং এই রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত কিছু শিক্ষার্থী। যারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জননেত্রী শেখ হাসিনা নাম ভাঙ্গিয়ে চলে, কিন্তু তাদের কাজে কর্মে তার প্রতিফলন পাওয়া যায় না।’

এই রাজনীতি থেকে যবিপ্রবিকে রক্ষা করার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ শিক্ষামন্ত্রীর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছেন। আর সব থেকে বেশি সাহায্য প্রার্থনা করেন তার স্নেহের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে। যদি তার পাশে তার সন্তানতুল্য শিক্ষার্থীরা থাকেন, তাহলে কোনো বাঁধাই যবিপ্রবির উন্নয়নকে থামিয়ে রাখতে পারবে না বলেও জানান তিনি।

বর্তমানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ থাকলেও তার বিরুদ্ধে এরকম কোনো অভিযোগ নেই কেন- এ প্রশ্নে প্রফেসর আনোয়ার বলেন, ‘আমার ক্ষমতার প্রতি কোনো মোহ নেই। আর আমি এমন কোনো কাজ করি না, যার জন্য কেউ আমার দিকে আঙুল তাক করে দোষারোপ করতে পারে। আমি সব সময় আমার কাজ নিষ্ঠার সাথে করি এবং আমি আমার দায়িত্বের জায়গায় সব সময় নিষ্ঠাবান।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হবে একটি বিশ্বমানের গবেষণামূলক বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বমানের ল্যাবরেটরি থাকলেও আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, খুব শিগগিরই প্রতিটি অনুষদে কমপক্ষে দুটি বিশ্বমানের ল্যাবরেটরি গড়ে তুলব, যাতে আমাদের শিক্ষার্থীরা উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে গবেষণামূলক কাজ করতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘খুব দ্রুত ইংরেজি এবং মার্কেটিং বিভাগকে ডিজিটালাইজড করা হবে। যেখানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে পাঠদান এবং গ্রহণ করবে। যদি ডিজিটাল সিস্টেম কার্যকরীভাবে সম্পাদন হয় এবং এর ফলাফল ভাল হয়, তবে প্রতিটি ডিপার্টমেন্টে ডিজিটাল সিস্টেমে পাঠদান পরিচালনা করা হবে।’



যবিপ্রবি/হাকিম মাহি


   



আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

ইউপি সদস্যসহ তিনজনের কারাদণ্ড

২০১৯-১০-১৭ ৭:৩৯:০৩ পিএম