রেসিডেন্সিয়াল কলেজের হোস্টেল বন্ধ থাকলেও ফি আদায়ের অভিযোগ

প্রকাশ: ২০২০-০৫-১৭ ৮:১৯:২৯ পিএম
নিজস্ব প্রতিবেদক | রাইজিংবিডি.কম

করোনাভাইরাসের কারণে ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থীরা হোস্টেলে না থাকলেও তাদেরকে ফি দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনার কারণে ওই কলেজের হোস্টেল বন্ধ রয়েছে। কিন্তু মার্চ, এপ্রিল, মে মাসের হোস্টেল ফিসহ বেতন পরিশোধ করতে হচ্ছে অভিভাবকদের।

এটি কলেজের নিয়ম বলে জানিয়েছেন কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী শামীম ফরহাদ।

মর্নিং শিফটের প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৩ হাজার ৩০০ টাকা করে হোস্টেল ফি বাবদ প্রতি মাসে নেওয়া হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক এমন অভিযোগ করেছেন। তারা বলছেন, এ সংকটময় মুহূর্তে  হোস্টেল ফি নেওয়া অমানবিক। এখন অনেক অভিভাবক কষ্টে আছেন। স্বল্প বেতনের অভিভাবকরা খুব কষ্টে সংসার চালাচ্ছেন। কেউ কেউ বেতনও পাচ্ছেন না। এমন অবস্থায় এত টাকা নেওয়া ঠিক না।

কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী শামীম ফরহাদ বলেন, ‘মর্নিং শিফটে যে সকল শিক্ষার্থী ভর্তি হয়, তাদেরকে বাধ্যতামূলক হোস্টেল খরচ দিতে হয়। কিন্তু ফুড চার্জ সবাইকে দিতে হয় না। যারা হোস্টেলে থাকবেন তাদেরকেই শুধু ফুড চার্জ এবং হোস্টেল ফি দুইটাই দিতে হবে। এটি ২০১৫ সাল থেকে বাধ্যতামূলক। কলেজের ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতেই সেটি উল্লেখ থাকে। এভাবে প্রতি শিক্ষার্থীকে ৩ হাজার ৩০০ টাকা করে মাসিক হোস্টেল ফি পরিশোধ করতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘অনেক অভিভাবক আমাদের কাছে বলে থাকেন যে, শিক্ষার্থীকে হোস্টেলে রাখবেন না। কিন্তু তারা হোস্টেল ফি দিতে রাজি থাকেন। সে শর্তেই তারা শিক্ষার্থীদেরকে স্কুলে ভর্তি করে থাকেন। কিন্তু তাদেরকে ফুড চার্জ দিতে হয় না। মর্নিং শিফটের শিক্ষার্থী ভর্তির বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়ে থাকে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের প্রতিষ্ঠানটি  স্বায়ত্তশাসিত। আমরা সরকার থেকে কিছু অংশ পেয়ে থাকি। কিন্তু আমাদের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, মালিদের বেতন বা অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ আছে সবকিছু টিউশন ফি বা অন্যান্য আনুষঙ্গিক ফি থেকে আসে।  এটি যদি বন্ধ করে দেওয়া হয় তাহলে আমরা কলেজের ব্যয় নির্বাহ করব কীভাবে? তবে এজন্য অভিভাবকদের চাপ দেওয়া হচ্ছে না।’


ঢাকা/ইয়ামিন/রফিক


     




আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

চঞ্চলের অপেক্ষা

২০২০-০৬-০৬ ১২:৫১:০২ পিএম