নাট্যজনকে শ্রদ্ধাঞ্জলি

প্রকাশ: ২০১৯-০৮-১৮ ১১:৪৩:৩২ এএম
শাহ মতিন টিপু | রাইজিংবিডি.কম

রাইজিংবিডি ডেস্ক: তিনি বাংলা নাটকের ভিন্ন ধারার কারিগর। বাংলা নাটককে তিনি প্রচলিত ধারা থেকে বের করে এনে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সংমিশ্রণে ভিন্নমাত্রায় প্রাণবন্ত করেছিলেন। তিনি সেলিম আল দীন।

এই নাট্যব্যক্তিত্বর ৭১তম জন্মদিন আজ। ফেনী জেলার সোনাগাজীর সেনেরখিল গ্রামে ১৯৪৯ সালের ১৮ আগস্ট তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

ফেনীতে জন্ম হলেও বাবার চাকরির সূত্রে ফেনী, চট্টগ্রাম, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও রংপুরের বিভিন্ন স্থানে তার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে। ১৯৯৫ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে নাটক নিয়ে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।

তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। ওই বিভাগ থেকেই তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হতো নাটক বিষয়ক পত্রিকা ‘থিয়েটার স্টাডিজ’। নাট্য চর্চার জন্য ঢাকা থিয়েটার প্রতিষ্ঠাতেও ভূমিকা ছিল তার। ১৯৮১-৮২ সালে আরেক নাট্যযোদ্ধা নাসিরউদ্দীন ইউসুফের সঙ্গে গড়ে তোলেন বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার।

নাটক রচনার পাশাপাশি নাটক নিয়ে তিনি গবেষণা চালিয়ে গেছেন আজীবন। বাংলা ভাষার একমাত্র নাট্যবিষয়ক কোষগ্রন্থ ‘বাংলা নাট্যকোষ’ সংগ্রহ, সংকলন, প্রণয়ন ও সম্পাদনা করেছেন তিনি নিজেই।

তার লেখা নাটকের মধ্যে রয়েছে: ‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’, ‘মুনতাসির ফ্যান্টাসি’, ‘শকুন্তলা’, ‘কীত্তনখোলা’, ‘কেরামতমঙ্গল’, ‘যৈবতী কন্যার মন’, ‘চাকা’, ‘হরগজ’, ‘প্রাচ্য’, ‘হাতহদাই’, ‘নিমজ্জন’, ‘ধাবমান’, ‘পুত্র’, ‘বনপাংশুল’।  এ ছাড়া ময়মনসিংহ গীতিকা অবলম্বনে তার গবেষণাধর্মী নির্দেশনা ‘মহুয়া’ ও ‘দেওয়ানা মদিনা’। তার রচিত ‘চাকা’ ও ‘কীত্তনখোলা’ অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে।

নাটকে অবদানের জন্য তিনি একুশে পদক, বাংলা একাডেমি ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন।

২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কেন্দ্রীয় মসজিদের কাছে তাকে সমাহিত করা হয়।


রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৮ আগস্ট ২০১৯/শাহ মতিন টিপু

     



আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

৯৪৫ কার্টুন বিদেশি সিগারেট জব্দ

২০২০-০২-১৮ ৩:৪২:৩৬ পিএম

বাথরুমের চেয়েও নোংরা টিভি রিমোট

২০২০-০২-১৮ ৩:৩১:২৬ পিএম

সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রী নিহত

২০২০-০২-১৮ ৩:১৭:৫৭ পিএম