মোহাম্মদপুরে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন রাজিব

প্রকাশ: ২০১৯-১০-২০ ১২:২৫:২৮ এএম
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | রাইজিংবিডি.কম

তারেকুজ্জামান রাজিব। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর । তবে এই পদকে পুঁজি করে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে চাঁদাবাজি, দখলবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক ব্যবসা, ডিশ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন।

সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করায় তার ভয়ে কেউ মুখ খুলতেন না।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তথ্য আছে, যুবলীগের রাজনীতি দিয়েই রাজিব রাজনীতি শুরু করেন। অল্পদিনেই নেতাদের সান্নিধ্যে মোহাম্মদপুর থানা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক পদ বাগিয়ে নেন।  

কেন্দ্রীয় যুবলীগের এক নেতাকে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা দিয়ে  ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ পান। ২০১৫ সালের কাউন্সিলর নির্বাচনে তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী। দলীয় প্রার্থী ও মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ বজলুর রহমানকে হারিয়ে নির্বাচিত হন তিনি।

এরপর তিনি নিজ এলাকায় রাজত্ব গড়ে তুলেন। চাঁদাবাজি, দখলদারি, টেন্ডারবাজি, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ আর মাদকসেবীদের আখড়ায় পরিণত করেন নিজ এলাকা। চার বছরে ৮-১০টির বেশি নামিদামি ব্র্যান্ডের গাড়ি কিনেছেন। যার মধ্যে মার্সিডিজ, বিএমডব্লিউ, ক্রাউন প্রাডো, ল্যান্ডক্রুজার ভি-৮, বিএমডব্লিউ স্পোর্টস কার রয়েছে। বাসস্ট্যান্ড, অটোরিকশাস্ট্যান্ড, ফুটপাত থেকে চাঁদা তুলতেন নিয়মিত। তার গুলশান ও মোহাম্মদপুরে আটটি ফ্ল্যাট আছে।   

জানা গেছে, রাজিব মোহাম্মদীয়া হাউজিং সোসাইটির এক নম্বর রোডে পানির পাম্পের জন্য নির্ধারিত জায়গায় বাড়ি বানিয়েছেন। বাড়ির জায়গাটির দামই প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা।
 

ঢাকা/মাকসুদ/নাসিম/জেনিস  


   



আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

এক ক্লিকেই আয়কর মেলা

২০১৯-১১-১৪ ৮:২৯:২৯ এএম

ক্যাসিনো-কাণ্ডে কাজহীন শাকিব!

২০১৯-১১-১৪ ৮:২৩:১৮ এএম

জেনে নিন বিপজ্জনক অ্যাপসের নাম

২০১৯-১১-১৪ ৮:১৭:৪২ এএম

টিভিতে আজকের খেলা

২০১৯-১১-১৪ ৮:০৫:৩৪ এএম