শামীম ও খালেদ কারাগারে

প্রকাশ: ২০১৯-১১-০৭ ৫:২৬:০৯ পিএম
নিজস্ব প্রতিবেদক | রাইজিংবিডি.কম

দুর্নীতির মামলায় কথিত যুবলীগ নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম এবং বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ শুনানি শেষে তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে এ দুই আসামির সাত দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে দুদক। জি কে শামীমকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা  দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন এবং খালেদকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম।

আসামিদের পক্ষে তাদের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। দুদকের পক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ২৮ অক্টোবর আসামিদের সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

গত ২১ অক্টোবর শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে ২৯৭ কোটি ৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ ও খালেদের বিরুদ্ধে ৫ কোটি ৫৮ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৯ টাকার অবৈধ সম্পদের অর্জনের অভিযোগে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা দায়ের করা হয়।

শামীমের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, তিনি ২০১৮-২০১৯ করবর্ষ পর্যন্ত ৫০ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন। এর মধ্যে আয়কর নথিতে ৪০ কোটি ২১ লাখ ৪০ হাজার ৭৪৪ টাকার তথ্য উল্লেখ করলেও মোট টাকার বৈধ উৎস পায়নি দুদক।

এছাড়া, শামীমের বাসা থেকে উদ্ধার করা নগদ ১ কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার টাকা ও ৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকা সমমূল‌্যের বিদেশি মুদ্রা, শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের নামে ১৬৫ কোটি ২৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকার এফডিআর, মায়ের নামে আরো ৪৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার টাকার ব্যবসার অংশীদার এবং জি কে বি অ্যান্ড কোম্পানির শেয়ার, গাড়ি ও এফডিআর বাবদ ৩৬ কোটি ৩৫ লাখ ১৮ হাজার ৭১৯ টাকার অস্থাবর সম্পদের বৈধ উৎস পায়নি দুদক।

দুদকের অনুসন্ধানে জি কে শামীমের মা আয়েশা আক্তারের কোনো বৈধ আয়ের উৎসও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

মোট ২৯৭ কোটি ৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনে দায়ে দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন বাদী হয়ে মা ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

অন্যদিকে, বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ ও ৯০ লাখ ১৬ হাজার ৭০৯ টাকার অস্থাবর সম্পদের বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

মোট ৫ কোটি ৫৮ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৯ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে খালেদ মাহমুদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। দুদকের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে মামলা করেন।

 

ঢাকা/মামুন খান/রফিক


   



আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

টিভিতে আজকের খেলা

২০১৯-১১-১৬ ২:২১:৪৪ এএম

সুরের মূর্ছনায় হেমন্তের রজনী

২০১৯-১১-১৬ ১:১৮:৫৭ এএম