দোকানের সামনে দড়ি টানিয়েছে দোকানিরা

প্রকাশ: ২০২০-০৪-০৫ ১:১৮:০০ পিএম
নিজস্ব প্রতিবেদক | রাইজিংবিডি.কম

করোনাভাইরাস থেকে নিজেদের ও ক্রেতাদের মুক্ত রাখতে নতুন নতুন অনেক পরিকল্পনাই করছেন রাজধানীর ব্যবসায়ীরা। এর মধ্যে ওষুধের দোকান হোক বা মুদি দোকান হোক সকল দোকানের সামনেই রয়েছে দড়ি টানানো। কোন ক্রেতাকেই দোকানের ভিতরে যেতে দিচ্ছেন না বিক্রেতারা।

রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর ধানমন্ডির জিগাতলা, ধানমন্ডি ১৫ নম্বর, রায়েরবাজার, এবং মোহাম্মদপুর এলাকার আশপাশে ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।
দেখা গেছে, প্রায় প্রতিটি দোকানের সামনে দোকানিরা দড়ি বেঁধে দিয়েছে যেন কেউ ঢুকতে না পারে। ক্রেতাদের যা লাগবে সেটা বাইরে থেকেই নিতে হচ্ছে।

কথা হয় ধানমন্ডি ১৫ নম্বরের জাহিদ জেনারেল স্টোরের বিক্রেতা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেনের সঙ্গে।

তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে খুব আতঙ্কে আছি। কয়েকদিন দোকান খোলা রাখিনি। কিন্তু এখন রাখছি কারণ আমার মুদি দোকান। অনেক মালামাল আছে যেগুলো বিক্রি না হলে নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।’

দোকানের সামনে দড়ি টানানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘দোকানের সামনে দড়ি টানিয়েছি যেন ক্রেতাদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে থাকতে পারি। কার শরীরে করোনাভাইরাস আছে সেটাতো আমরা কেউ জানিনা। আমার এখানে অনেকেই অসুস্থ শরীর নিয়ে কেনাকাটা করতে আসেন, কাউকে তো আর নিষেধ করতে পারি না। তাই এই পদক্ষেপ নিয়েছি। যার যা কিছুই প্রয়োজন হবে দোকানের বাইরে বসে নিতে হবে।’
 


দড়ি টানানো নিয়ে ধানমন্ডি ১৫ নম্বরের এক ওষুধের দোকানের মালিক মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘দেশে করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় সব কিছুই অচল অবস্থায় রয়েছে। দোকানপাট হোটেল, পরিবহন সব কিছুই বন্ধ রয়েছে। মানুষ বাসা থেকেও তেমন একটা বের  হচ্ছেন না। তবে আমার ওষুধের দোকান তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দোকান খোলা রাখলে কিছু বলছেন না। তবে নিরাপত্তার বিষয়টা আমাকেই দেখতে হচ্ছে।’  

তিনি আরো বলেন, ‘ওষুধের দোকানে মূলত অনেক ধরনের ক্রেতা আসেন। অধিকাংশই দেখা যায় কোনো না কোনোভাবে অসুস্থ থাকেন। তাই নিজের নিরাপত্তার জন্য এবং ক্রেতাদের সুরক্ষার জন্য দোকানের সামনে দড়ি টানিয়ে দিয়েছি। কারো ওষুধ লাগলে দোকানের বাইরে দাঁড়িয়েই নিতে হয়।’

ওষুধ কিনতে আসা এক ক্রেতা আবদুল্লাহ ইসলাম বলেন, ‘ওষুধ কিনতে এসে দেখি দোকানের সামনে দড়ি বাঁধা। দেখে কিছুটা অবাক হই। পরে জানতে পারলাম করোনাভাইরাসের কারণে দোকানের ভিতরে যাওয়া যাবে না। তবে এই উদ্যোগটা খুব ভালো। এর ফলে আমরা ক্রেতারাও সুরক্ষা পাবো আর বিক্রেতারাও নিরাপদে থাকতে পারবেন।’

এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় প্রতিটি দোকানে একই অবস্থা। মোবাইলের দোকান, খাবার হোটেল, কনফেকশনারির দোকান, ফলের দোকানসহ সব দোকানেই দড়ি টানানো।

 

ঢাকা/হাসিবুল/জেনিস


     




আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

আইপিএল আয়োজনে আগ্রহী আরব আমিরাত

২০২০-০৬-০৭ ১২:০৮:২২ পিএম
কাল্পনিক গল্প

জীবন গাঙের নাইয়া

২০২০-০৬-০৭ ১২:০৬:০৭ পিএম

যে চকলেট লাইটের মতো জ্বলজ্বল করে!

২০২০-০৬-০৭ ১০:৪৬:৪৯ এএম