জেল হত্যাকাণ্ড কেন জরুরি ছিল || শাহরিয়ার কবির

প্রকাশ: ২০১৯-১১-০৩ ৮:১৫:১৪ এএম
শাহরিয়ার কবির | রাইজিংবিডি.কম

১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড এবং ৩ নভেম্বর কারাগারে বন্দি বঙ্গবন্ধুর চার প্রধান সহযোগীর হত্যাকাণ্ড একই চক্রান্তের অন্তর্গত। চক্রান্তকারীরা অভিন্ন এবং হত্যাকারীও তাই। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাঙালি জাতির জনক, বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রধান স্থপতি। ৩ নভেম্বর নিহত তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মনসুর আলী ও কামরুজ্জামান মুজিবনগর সরকারের চার প্রধান স্তম্ভ, যে সরকারের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়েছে নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ, যে যুদ্ধ শেষ হয়েছে প্রায় ৯২ হাজার পাকিস্তানি সৈন্যের আত্মসমর্পণ এবং বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের মাধ্যমে। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর চার প্রধান সহযোগীর হত্যার মূল কারণ- বাংলাদেশের মাটিতে পাকিস্তানের শোচনীয় পরাজয়ের প্রতিশোধ গ্রহণ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সংবিধানকে পাকিস্তানিকরণের চক্রান্তের অন্তর্গত।

১৯৭১-এ যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করে পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষা করতে চেয়েছিল তারা এই ভূখণ্ডে মানব জাতির স্মরণকালের ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যা, নারী নির্যাতন ও ধ্বংসযজ্ঞ সাধন করেও লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি। ইয়াহিয়ার সামরিক জান্তা এবং তাদের এদেশীয় সহযোগী জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলাম, মুসলিম লীগ প্রভৃতি দল ইসলামের দোহাই দিয়ে যাবতীয় হত্যাকাণ্ড ও নারী নির্যাতন জায়েজ করতে চেয়েছে। তারপরও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের বাংলার মাটিতে শোচনীয় পরাজয় বরণ করতে হয়েছে। এই পরাজয় কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়, ’৭১-এ বাংলাদেশে পরাজিত হয়েছিল পাকিস্তানের দর্শন, যার ভিত্তি হচ্ছে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সাম্প্রদায়িক দ্বিজাতিতত্ত্ব। ’৭১-এ বাংলাদেশের মাটিতে পাকিস্তানের যে সমাধি খনন করা হয়েছিল তারই উপর প্রোথিত হয়েছে ধর্মনিরপেক্ষ বাঙালি জাতীয়তাবাদের চেতনা। ’৭১-এ পাকিস্তানের পতন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয় একই মুদ্রার এ-পিঠ  ও-পিঠ মাত্র।

’৭১-এ যারা পরাজয়ের গ্লানি ভুলতে পারেনি, বাংলাদেশে পাকিস্তানি চেতনার সেই ধারকরাই হত্যা করেছে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর চার প্রধান সহযোগীকে। তাদের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা- ‘ধর্মনিরপেক্ষতা,’ ‘সমাজতন্ত্র’ ও ‘বাঙালি জাতীয়তাবাদ’ মুছে ফেলে পাকিস্তানি ভাবধারায় নতুন প্রজন্ম সৃষ্টি করা। জেনারেল জিয়াউর রহমান ও তাঁর উত্তরসূরী জেনারেল এরশাদ সংবিধানের ৫ম ও ৮ম সংশোধনীর মাধ্যমে এবং একাত্তরের ঘাতক দালাল যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দিয়ে একুশ বছর ধরে বাংলাদেশের সমাজ, রাজনীতি ও রাষ্ট্রের পাকিস্তানিকরণ প্রক্রিয়া জারি রেখেছিলেন। ’৭১-এর পরে যারা জন্মেছে তাদের গড়ে তোলা হয়েছে পাকিস্তানি ভাবধারায়। মুক্তিযুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের প্রথম প্রজন্মের অধিকাংশ সদস্য জানত না ’৭১-এ কার বিরুদ্ধে কেন যুদ্ধ হয়েছিল, কারা ছিল শত্রু ও মিত্র। বাংলাদেশে পাকিস্তানি চেতনার ধারকরা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার চিহ্নিত শত্রুরা এ-কাজ কখনও করতে পারতো না, যদি না তারা শেখ মুজিব, তাজউদ্দীন, নজরুল, মনসুর ও কামরুজ্জামানদের হত্যা করতো।

স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে কলঙ্কময় অধ্যায় বঙ্গবন্ধু ও চার জাতীয় নেতার নৃশংসতম হত্যাকাণ্ড এবং হত্যাকারীদের বিচার না করার ইনডেমনিটি আইন। ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের হত্যাকাণ্ডকে ঘাতক ও তাদের সহযোগীরা আখ্যায়িত করেছে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড হিসেবে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের দ্বারা রাষ্ট্রপ্রধানের নিহত হওয়ার নজির আরও আছে কিন্তু একই সঙ্গে সপরিবারে হত্যা, সন্তানসম্ভবা বধূ ও শিশু হত্যার বর্বরতম নজির পৃথিবীর ইতিহাসে দ্বিতীয়টি নেই। একইভাবে কারারুদ্ধ জাতীয় নেতৃবৃন্দ, সাড়ে তিন বছর আগে যাঁদের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়েছে বাঙালির ইতিহাসের মহত্তম অর্জন ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ, তাঁদের ঠাণ্ডা মাথায় মেশিনগানের ব্রাশ ফায়ার ও বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করারও দ্বিতীয় কোন নজির নেই। তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছিল বিনা অভিযোগে, হত্যা করা হয়েছে বিনা বিচারে কারারুদ্ধ অবস্থায়। এই হত্যাকাণ্ড সভ্য সমাজকে বিচলিত ও ক্ষুব্ধ করলেও জেনারেল জিয়া হত্যাকারীদের নিজের দলে ঠাঁই দিয়েছেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে পুরস্কৃত করেছেন গুরুত্বপূর্ণ সরকারী দায়িত্ব প্রদানের মাধ্যমে। এইভাবে বাংলাদেশে হত্যার রাজনীতি বৈধতা পেয়েছে, যার পরবর্তী শিকার হয়েছিলেন স্বয়ং জিয়াউর রহমান।

৩ নভেম্বর জেলহত্যার প্রয়োজন ছিল বাঙালির চেতনা থেকে ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয়তাবাদ ও মানবিকতা মুছে ফেলার জন্য। ধর্মের নামে জাতিকে বিভক্ত করা কোন সভ্য সমাজ অনুমোদন করে না। মুক্তিযুদ্ধোত্তর বাংলাদেশকে অমানবিকতা ও বর্বরতার দিকে ধাবিত করার জন্য মুক্তিযুদ্ধের চার মহান নায়ককে হত্যা করা হয়েছিল। হত্যাকারী ও তাদের সহযোগীরা জানতো এঁরা বেঁচে থাকলে বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানাবার নীলনকশা বাস্তবায়ন করা যাবে না। আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার জন্যেও জরুরি ছিল এই হত্যাকাণ্ড, কারণ আওয়ামী লীগ পাকিস্তান ভেঙেছে। এদের অবর্তমানে আওয়ামী লীগকে একুশ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য। এই একুশ বছরে গোটা এক প্রজন্মকে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে।

জেনারেল জিয়া, জেনারেল এরশাদ ও খালেদা জিয়ার শাসনামলে আমরা দেখেছি সরকারীভাবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতকরণের বিভিন্ন আয়োজন ও অভিব্যক্তি। ক্ষমতায় না থাকলেও বিএনপির নেত্রী ও নেতারা অহরহ বলেছেন শেখ মুজিব জাতিকে অরক্ষিত রেখে পাকিস্তানিদের হাতে ধরা দিয়েছেন আর তাজউদ্দীনরা জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে ভারতে পালিয়ে গিয়েছেন। মুজিবনগর সরকারের কোন ইতিবাচক অস্তিত্ব বিএনপির কাছে নেই। মুক্তিযুদ্ধের সময় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জেনারেল জিয়া ও দলের অপরাপর মুক্তিযোদ্ধারা কোন সরকারের নির্দেশে যুদ্ধ করেছেন, কোন সরকারের কাছ থেকে বেতন নিয়েছেন, কোন সরকারের কাছে তাদের জবাবদিহিতা ছিল- এ নিয়ে তারা কখনও কিছু বলেন না। এমনকি মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর কোন সরকার তাঁদের বীরউত্তম, বীরবিক্রম, বীরপ্রতীক খেতাব দিয়ে বিভিন্ন সরকারী দায়িত্বে নিয়োজিত করেছে, কাদের তারা মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে এবং পরবর্তী সময়ে সেল্যুট দিতেন ইতিহাসের এই পর্ব তারা মুছে ফেলতে চান। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর সহযোগীরা বেঁচে থাকলে ইতিহাসের ধারা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা সম্ভব ছিল না বলেই তাঁদের হত্যা করাটা জরুরি হয়ে পড়েছিল।

১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু ও তাঁর চার প্রধান সহযোগীকে হত্যা না করে বাংলাদেশে সামরিক শাসন জারি করা যেতো না, জেনারেল জিয়া কিংবা জেনারেল এরশাদ কখনও ক্ষমতায় আসতে পারতেন না, ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের সংবিধান ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তারা উর্দিপরা জেনারেলদের বুটের তলায় পিষ্ট করতে পারতেন না।

একুশ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের ঘাতকদের বিচার করবে এটা বিএনপির পক্ষে মেনে নেয়া কঠিন ছিল। থলের বেড়াল বেরুবে বলে বিএনপি যেমন দলের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের বিচার করতে চায়নি, একইভাবে তারা চায়নি বঙ্গবন্ধু ও তাঁর সহযোগীদের হত্যার বিচার হোক। জিয়া হত্যার সঙ্গে জড়িত বলে যে ১৩ জন মুক্তিযোদ্ধা সামরিক কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে তাদের বিচার হয়েছে সামরিক বাহিনীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে, রাষ্ট্রপতিকে হত্যার জন্য নয়। আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধু ও জেল হত্যার বিচারের উদ্যোগ গ্রহণ এবং বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারকার্য সম্পন্ন করলেও পর্দার অন্তরালে থেকে যারা হত্যার প্ররোচনা দিয়েছে, হত্যার নীলনকশা তৈরি করেছে এবং হত্যার সুযোগে রাষ্ট্র ক্ষমতার অধিকারী হয়েছে তারা অন্তরালেই থেকে গেছে। তাদের ভয় ছিল জেল হত্যার বিচার স্বাভাবিক নিয়মে চলতে থাকলে বিএনপির অনেক রাঘব বোয়াল ধরা পড়ে যাবেন। বঙ্গবন্ধু ও চার নেতাকে যারা হত্যা করেছে তারা পরবর্তীকালে নিজেরা যেমন রাজনৈতিক দল করেছে, একইভাবে তাদের অনেকে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় বিএনপিতেও যোগ দিয়েছে। পরবর্তীকালে বিএনপি তাদের মনোনয়ন দিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী করেও এনেছে।

৩ নভেম্বরের হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় ঘটেছে ৭ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম অধিনায়ক খালেদ মোশাররফ ও তাঁর সহযোগীদের হত্যাকাণ্ড এবং জিয়াউর রহমানের মসনদে আরোহন। জিয়াকে যারা মসনদে বসিয়েছিলেন তাঁদের নায়ক ছিলেন তাঁরই সহযোগী মুক্তিযুদ্ধের আরেক অধিনায়ক কর্নেল তাহের। ক্ষমতা নিরঙ্কুশ করার জন্য জিয়া তাঁর সহযোগী ও সুহৃদ তাহেরকেও হত্যা করতে কুণ্ঠিত হননি। শুধু তাহের নয়, বাংলাদেশকে পাকিস্তানে রূপান্তরিতকরণ প্রক্রিয়ায় জেনারেল জিয়ার আমলে প্রায় দুই হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছিল বিভিন্ন সময়ে জিয়াকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চাওয়ার অভিযোগে।

যৌক্তিক কারণেই বিএনপির পক্ষে বঙ্গবন্ধুর ঘাতকদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যেমন সম্ভব ছিল না, জেল হত্যার বিচারও সম্ভব ছিল না। খুনিরা কখনও নিজেদের বিচার করে না। বিএনপির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে জামায়াতে ইসলামী, যাদের দর্শন হচ্ছে ৩ নভেম্বরের ঘাতকদের মূল প্রেরণা। জামায়াতের মতো সহযোগীদের এবং দলের কতিপয় নেতাকে সন্তুষ্ট ও রক্ষা করার জন্যে বিএনপি জেলহত্যা মামলা হিমাগারে পাঠিয়ে দিয়েছিল। এক সময়ের আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ ক্ষমতায় থাকতে জেলহত্যা মামলার বিচারে স্থাবিরতা প্রসঙ্গে বলেছিলেন- ‘কত লক্ষ মামলা বিভিন্ন আদালতে ঝুলে আছে’। কয়েক লক্ষ মামলার সঙ্গে একটি মামলা যুক্ত হলে বিএনপি হয়তো ভাবতে পারে এতে কোন ক্ষতিবৃদ্ধি হবে না। কিন্তু বাংলাদেশের অস্তিত্ব যতদিন টিকে থাকবে, স্বাধীন সার্বভৌম জাতি হিসেবে বাঙালি যতদিন বেঁচে থাকবে ’৭১ ও ’৭৫-এর কোন ঘাতকই রেহাই পাবে না, যতই তারা বিএনপির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধুক। বঙ্গবন্ধু ও চার নেতার উত্তরাধিকারীরা আজও বেঁচে আছেন। যতদিন তাঁরা বেঁচে থাকবেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম যতদিন বেঁচে থাকবে ’৭১ ও ’৭৫-এর ঘাতকরা বিচার ও শাস্তি থেকে পরিত্রাণ পাবে না।

বঙ্গবন্ধু ও তাঁর সহযোগীদের হত্যা করে ইতিহাসের চাকা সাময়িকভাবে থামিয়ে দেয়া গেছে, কিছুটা পেছনেও ঠেলে দেয়া হয়েছে কিন্তু মহাকালের গতিরোধ করবে এমন সাধ্য কারও নেই। কালের অমোঘ নিয়মে বাঙালির ইতিহাসের চাকা সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সকল ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের বেড়াজাল ছিন্ন করে। ’৭১-এর ঘাতকদের বিচারের ভেতর দিয়ে বাংলাদেশ ‘অপরাধ থেকে দায়মুক্তি’র অপসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় আমরা আশা করতে পারি আগামীতে ’৭৫-এর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য নায়কদেরও বিচার ও শাস্তি এই বাংলাদেশের মাটিতেই হবে।

লেখক : সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কার্যকরী সভাপতি

 

ঢাকা/তারা


   



আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

‘অভিযান চলছে, অব্যাহত থাকবে’

২০১৯-১১-১৪ ১১:০০:৪৬ পিএম

‘৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আসবে’

২০১৯-১১-১৪ ১০:৫৭:১৯ পিএম

‘পয়ঃবর্জ্য সমস্যা নয় সম্পদ’

২০১৯-১১-১৪ ৯:৫৮:১৮ পিএম

রেল দুর্ঘটনা : মন্দবাগে তদন্ত দল

২০১৯-১১-১৪ ৯:৪৮:৩৯ পিএম