শিক্ষাঙ্গনে করোনার প্রভাব: কতিপয় পরামর্শ

প্রকাশ: ২০২০-০৪-২৭ ২:৪১:০৩ এএম
ড. মো. মাহমুদুল হাছান | রাইজিংবিডি.কম

কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারি যা মূলত প্রাথমিকভাবে হেলথ ক্রাইসিস বা স্বাস্থ্যগত সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত।

পরবর্তীকালে এর প্রভাব পড়ছে আর্থিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও  শিক্ষা ব্যবস্থার উপর। ব্যবসা-বাণিজ্য, উৎপাদন, নির্মাণ থেকে শুরু করে সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা জানি, দেশ পরিচালনায় অর্থের সমৃদ্ধি ও সক্ষমতা আবশ্যক এবং তা আপেক্ষিকতার নীরিখে চলমান প্রক্রিয়া।  কিন্তু শিক্ষার উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি ধারাবাহিকতার বিচারে সুদূর প্রসারী ও সামগ্রিকভাবে মূল চালিকাশক্তি।  করোনার প্রাদুর্ভাবে সৃষ্ট বর্তমান সংকটে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে চলেছে শিক্ষা ব্যবস্থাকে। শিক্ষার এ ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে লেগে যাবে দীর্ঘদিন। তাতে জাতির উন্নতি হবে বহুলাংশে ব্যাহত ও ক্ষীণ গতিসম্পন্ন।

শিক্ষা ব্যবস্থাপক ও শিক্ষা প্রদান কাজে যারা জড়িত বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ পড়েছেন উভয় সংকটে; তাঁরা না পারছেন প্রতিষ্ঠান খোলা রাখতে, আবার না পারছেন শিক্ষার ধারা কার্যকরী রাখতে। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম কিছুটা চালু রাখলেও তা অল্প পরিসরে। কিন্তু ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমাদের স্কুল কলেজ। সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সামগ্রিক স্কুলিং তথা  শিক্ষার্থী,  শিক্ষক ও অভিভাবক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপর চরম নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। পড়ালেখার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলো শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়মিত স্কুলে আসা এবং দিনের কার্যসূচী অনুযায়ী রুটিনমাফিক শিক্ষণ ও শিখন কর্ম পরিচালনা করা। লকডাউন বা সামাজিক দূরত্ব বিধি মানার ফলে এ স্বাভাবিক প্রক্রিয়া চরমভাবে ব্যাহত হয়। ফলে এর ক্ষতিকর প্রভাব সকল স্তরেই ভোগ করতে হয়। নিম্নে এ ব্যপারে কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোকপাত করা হলোঃ

শিক্ষার্থীদের উপর প্রভাব:
শিক্ষার্থী স্কুল কলেজের প্রাণ। তাদের উপস্থিতি ও নিয়মিত পড়াশোনা শিক্ষা ধারাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। লকডাউনের কারণে শিক্ষার্থীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেমন: স্কুল খোলা থাকলে ছেলেমেয়েরা নিয়মিত স্কুলে যায়, বন্ধু-বান্ধব ও সহপাঠীদের সাথে আনন্দের মাধ্যমে পড়ালেখা করে দিনের অধিকাংশ সময় অতিক্রম করে, ফলে তাদের মন মানসিকতা ফুরফুরে মেজাজের হয় এবং জীবন যাপনের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে। কিন্তু স্কুল দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে ছেলেমেয়েরা বাসায় বসে অনেক ক্লান্তি ও অস্বস্তি বোধ করে। তাতে এরা মানসিকভাবে  বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে।

লকডাউন অবস্থায় ছাত্র ছাত্রীদের দৈনন্দিন রুটিন ওয়ার্কে ব্যাঘাত ঘটে। নিয়মিত ঘুম থেকে ওঠা, পড়ার  টেবিলে বসা, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের দেওয়া হোমওয়ার্ক সম্পন্ন করা ইত্যাদির সবই নিয়মিত কর্মসূচির  অংশ। স্কুল বন্ধ অবস্থাতে ছেলেমেয়েদের এ জাতীয় রেগুলার কাজের মাঝে অনিয়মিত ভাব পরিলক্ষিত হয় যা তাদের জন্য দীর্ঘ মেয়াদি ক্ষতিকর।

প্রতিদিন শিক্ষকের সঙ্গে শ্রেণী কক্ষে বসে শিক্ষাগ্রহণ করা, তাদের সঙ্গে জ্ঞানের আলাপ করা, নিত্যনৈমিত্তিক নতুন নতুন জ্ঞান অর্জনসহ নানা দিক থেকে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হয়। কিন্তু স্কুল বন্ধ থাকলে এ জাতীয় সুবিধা থেকে তারা বঞ্চিত হয়। ফলে প্রকৃত শিক্ষা লাভের পরিবেশ থেকে ছাত্রছাত্রীরা অনেক দূরে সরে যায়।

অধিক কাল স্কুলে যেতে না পারা শিক্ষার্থীদের মানসিক উন্নয়নের জন্য বেশ হুমকিস্বরূপ। বিশ্ব স্বাস্থ সংস্থার মতে প্রতিদিন ছেলেমেয়েদের  কমপক্ষে ৪৫ থেকে ৬০ মিনিট এবং বয়স্কদের জন্য ৩০ মিনিট শারীরিক কসরত আবশ্যক। স্কুল খোলা থাকলে শিক্ষার্থীরা এ সুযোগ পায়।

লকডাউনের ফলে ছেলেমেয়েদের স্বাভাবিক আচার-আচরণে ব্যাপক পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়। তাদের পারস্পরিক আলাপ, ভদ্রতা, স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড ইত্যাদি ক্ষেত্রে অস্বাভাবিকতা প্রকাশ পায়। ঘরবন্দী জীবন যাপন তাদেরকে শারীরিকভাবেও অনেক ক্ষতি করে। অনেকে অনিয়ন্ত্রিতভাবে সোস্যাল মিডিয়াতে বেশি জড়িয়ে পড়ে। এটি ক্ষতিকর।

শিক্ষকদের উপর প্রভাব:
স্কুল কলেজ বন্ধ থাকার কারণে শিক্ষার্থীদের মতো শিক্ষকেরাও ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেমন: শিক্ষকদের কর্মহীন হয়ে বসে থাকতে হয়। ছাত্র-ছাত্রীদেরকে পাঠদান কালে শিক্ষকদের পড়াশোনা করতে হয়, পাঠ পরিকল্পনা প্রস্তুত করতে হয় এবং শিক্ষা সহায়িকার ব্যবস্থা করতে হয়। বন্ধ থাকলে তাঁরা এ সকল কাজ থেকে দূরে সরে যায়, ফলে দিন দিন তাদের অদক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

শিক্ষকদের  স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। অধিকাংশ শিক্ষক যারা বিশেষ করে প্রাইভেট টিউশনি করেন বা বেসরকারি কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন, তাঁদের অর্থ উপার্জন  কমে যায়। এমনকি সঞ্চিত কোনো অর্থ না থাকায় তাঁরা সংসার চালাতে হিমশিম খান। সমাজে এদের সংখাই বেশ।

দীর্ঘদিন স্কুলের কার্যক্রম না থাকায় ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে শিক্ষকদের শিক্ষার আদান-প্রদান ব্যাহত হয়। ফলে শিক্ষার্থী শিক্ষক সম্পর্কের বিচ্যুতি ঘটে। শিক্ষকদের সাথে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত দেখা হওয়ার ফলে যে সৌহার্দপূর্ণ ইতিবাচক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকতো তা আর থাকে না।

প্রতিষ্ঠানের উপর প্রভাব:
লকডাউনের কারণে অধিক কাল ধরে স্কুল কলেজ বন্ধ থাকার ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হতে পারে। যেমন: সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই সরকারি বা বেসরকারি  নির্দিষ্ট নিয়ম নীতির আলোকে পরিচালিত হয়। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার ফলে এ সকল নিয়ম নীতি পালনে অনেক বিচ্যুতি ঘটে। ফলে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মাঝে নানা ধরনের নিয়ম শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজের অভিযোগ পরিলক্ষিত হয়।

করোনাভাইরাসের আতঙ্কে জারীকৃত লকডাউনের ফলে যেহেতু স্কুল কলেজ বন্ধ থাকে, সেহেতু এ সকল প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে অনেক বেগ পেতে হয়। স্কুলের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা,  স্থানীয় ব্যবস্থাপনার কাজে যারা নিয়োজিত তাদের খাদ্য, পানীয়, আবাসন সুবিধা ও নিরাপত্তা সেবা প্রদান করা দুরুহ ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।

সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই তাদের নিজস্ব একাডেমিক বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী কারিকুলাম ও সিলেবাস প্রণয়ন করে থাকে। হঠাৎ করে লকডাউন বিধান কার্যকরী করায় শিক্ষাদান যেহেতু বন্ধ প্রায় হয়ে যায়, সেহেতু তাদের পরিকল্পিত সিলেবাস শেষ করা সম্ভব হয় না। ফলে অনিশ্চিত হয়ে পড়ে সকল বার্ষিক কার্যক্রম। আবার দীর্ঘদিন এভাবে বন্ধ থাকলে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ বিচলিত হয়ে পড়েন শিক্ষার্থীদের সময়মত পরীক্ষা না নিতে পেরে। ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের নানা প্রকার মন্তব্য ও অনাকাঙ্খিত আবদার প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কর্মধারাও ব্যাহত করে।

লকডাউনের কারণে স্কুল কর্তৃপক্ষ আরেকটি বড় ঝুঁকির মধ্য পড়ে যান, তা হলো শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সময়মতো বেতন ভাতা প্রদান করতে না পারা। ফলে এ নিয়ে সৃষ্ট মিশ্র প্রতিক্রিয়া কর্তৃপক্ষকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দেয়।

সমাধানে কতিপয় পরামর্শ:
জাতির এ ক্রান্তিলগ্নে আমাদের সবাইকে এগিয়ে এসে আপদকালীন এ সমস্যার সম্ভাব্য সমাধান করা খুবই প্রয়োজন। নিম্নে সংক্ষিপ্ত পরিসরে কিছু সমাধানের প্রস্তাব করা হলো:

স্কুল কর্তৃপক্ষের জন্য আবশ্যক বর্তমান এ আধুনিক কালে অনলাইন ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখা। আজকাল ডিস্ট্যান্স লার্নিং-এর আওতায় অসংখ্য শিক্ষা বিষয়ক অ্যাপস আবিষ্কৃত হয়েছে যা দিয়ে অতি সহজে লকডাউনে থেকেও বাড়িতে বসে শিক্ষা প্রদান ও গ্রহণ করা যায়। এছাড়াও গুগল ক্লাসরুম, গুগল হ্যাংসাউট মিট, স্কাইপে, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস রয়েছে যার মাধ্যমে সহজেই শ্রেণি কার্যক্রম চালানো যায়। দৈনন্দিন পাঠ পরিকল্পনা অনুযায়ী ক্লাস পরিচালনা করলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ মানসিকভাবে অনেকটা স্বস্তি লাভ করতে পারে। আমাদের সরকার যেমন ইতোমধ্যে সংসদ টিভি, শিক্ষা বাতায়ন ও শিক্ষা বোর্ড ভিত্তিক কতিপয় মোডিউলের মাধ্যমে শিক্ষাদান অব্যাহত রেখেছেন। সকল প্রতিষ্ঠানই এভাবে  অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন।

প্রতিদিন শিক্ষকগণ রুটিনমাফিক বিভিন্ন শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের সাথে কুশলাদি বিনিময়ের কাজ করতে পারেন। যাতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় থাকে এবং আপদকালীন সমস্যার সমাধানে একে অন্যে এগিয়ে আসতে পারে। অনলাইনের মাধ্যমে মাঝে মাঝে শিক্ষার্থী-শিক্ষক-অভিভাবক সম্মেলন করা যেতে পারে। ফলে সকলের মাঝে পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকে এবং মানসিক দিক থেকে সকলে শান্তিপূর্ণ অবস্থায় বসবাস করতে পারে।

শিক্ষকগণ মাঝে মাঝে শ্রেণিভিত্তিক সাবজেক্ট অনুযায়ী শিক্ষার্থীদেরকে পাঠ প্রদান করে বাড়ির কাজ দিতে পারেন, যেন তারা বাসায় পড়া লেখা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন এবং ভিন্ন কোন কাজে মন বসাতে না পারে। একইসঙ্গে ছাত্রছাত্রীরা বাড়িতে বসে স্ব স্ব কাজে নিয়োজিত থাকতে পারে। লকডাউন অবস্থায় তারা যে কোনো প্রকার প্রযুক্তিগত শিক্ষা অর্জন করে তাদের ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার গঠন কাজে এগিয়ে থাকতে পারে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিভা অনুযায়ী আর্টস ও শিল্পকলায় মনোনিবেশ করতে পারে। এ সময় অভিভাবকগণ তাদের ছেলেমেয়েদের পাশে থেকে সর্বদা বুদ্ধিমত্তা, সাধারণ জ্ঞান ও মেধা চর্চার কাজে সহযোগিতা করতে পারেন।

ছাত্রছাত্রীরা তাদের সুবিধা মতো সময় অনুযায়ী শিক্ষকদের সাথে পরামর্শ করে দৈনন্দিন কর্মসূচি বা কর্ম পরিকল্পনা তৈরি করতে পারে। সে মোতাবেক তারা তাদের খাওয়া, দাওয়া, ঘুম ও পড়াশোনা করতে পারে। তাদের কর্মসূচিতে অবশ্যই হালকা ব্যায়ামের সময় থাকতে হবে এবং সে অনুযায়ী নিয়মিতভাবে শরীর চর্চা করতে হবে।

স্কুল কর্তৃপক্ষ যদি স্কুল ব্যবস্থাপনায় অটোমেশন পদ্ধতি চালু রাখতে পারে তাহলে সেটি হতে পারে অভিভাবক ও ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ লাভের শ্রেষ্ঠ উপায়। ফলে কর্তৃপক্ষ যেমন সকলের সাথে সহজে যোগাযোগ রেখে জরুরি কোনো নোটিশ প্রদান করতে পারে। অনুরূপভাবে, অভিভাবকেরাও তাদের প্রয়োজনীয় কাজ যেমন টিউশন ফিসহ যাবতীয় পাওনাদি পরিশোধ করতে পারেন। এতে পরস্পর পরস্পরের মধ্যে একটি সুসম্পর্ক স্থাপিত হয় এবং যে কোন সংকট সমাধানে একতাবদ্ধভাবে কাজ করা যায়।

এমতাবস্থায়,  ছাত্রছাত্রীদের করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট ব্যাপক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব এবং এ উপলক্ষে প্রস্তাবিত পরামর্শগুলি মেনে চলা যেতে পারে। আমরা প্রভুর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন করোনার অভিশাপ থেকে আমাদেরকে রক্ষা করেন এবং শিক্ষা ব্যবস্থার উপর যে ক্ষতিকর প্রভাব পড়েছে তা পুষিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করেন।

লেখক: প্রিন্সিপাল, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, ঢাকা


ঢাকা/তারা


     



আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

ক্রিকেটের রেকর্ড থেকে

২০২০-০৬-০৩ ৯:০৭:২১ এএম

রেল কি করোনা এক্সপ্রেস ?

২০২০-০৬-০৩ ৮:০৮:২৬ এএম

জিপিএ-৫ পেয়েও কাঁদছেন তানিয়া

২০২০-০৬-০৩ ৩:৩২:৪৪ এএম

৮২ কোচ পেলেন মাশরাফির ‘উপহার’

২০২০-০৬-০৩ ১:২২:৪১ এএম

‘আমি কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে গর্বিত’

২০২০-০৬-০৩ ১২:৩২:১৬ এএম