নতুন আকর্ষণ পালেরমোড়া বা ‘সেলফি ব্রিজ’

প্রকাশ: ২০১৯-০৮-১৪ ৯:৫৫:০৮ পিএম
সাইফুল্লাহ হাসান | রাইজিংবিডি.কম

মৌলভীবাজার সংবাদদাতা : পর্যটকদের নতুন আকর্ষণ এখন মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার 'পালেরমোড়া' সেতু। নামে পালেরমোড়া ব্রিজ হলেও এলাকাবাসীর কাছে তা ‘সেলফি ব্রিজ’ নামেই বেশি পরিচিত।

পালেরমোড়া সেতুর চারদিকে এশিয়ার সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকির অথৈ জলরাশি। জলের ওপর ছলাৎ ছলাৎ ঢেউ। সেই জলরাশির বুক চিড়ে বেড়িয়ে এসেছে কুলাউড়া-ভুকশিমইল-বরমচাল আঞ্চলিক মহাসড়ক। তার ওপর দাঁড়িয়ে আছে লাল-সাদা রঙে আঁকা একটি সুদৃশ্য সেতু।

হাকালুকির অপরুপ সৌন্দর্য যেমন স্থানীয়দের, তেমনি দেশ ও বিদেশীদের মন কাড়ে। এই এলাকার সৌন্দর্য্যের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে ‘পালেরমোড়া' সেতুটি। মজার বিষয় হচ্ছে হালে সেতুটি স্থানীয়দের কাছে বেশি পরিচিতি পেয়েছে সেলফি ব্রিজ হিসেবে। কারণ সেতুতে বেড়াতে আসা মানুষের বেশিরভাগিই ব্যস্ত থাকেন সেলফি নিয়ে। স্থানীয়রা তাই সেলফি ব্রিজ বললেই সময়ক্ষেপণ না করে দেখিয়ে দিচ্ছেন রাস্তা। ছুটিতে ঘুরে আসতে পারেন হাকালুকির তীরবর্তী এ ব্রিজ থেকে।

এদিকে ব্রিজটির সৌন্দর্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, লোকমুখে প্রকাশ আর বিভিন্ন মিডিয়ার খবরে প্রতিদিনই দর্শণার্থীদের ভিড় বাড়ছে।

এখানে যাতায়াতের সবক্ষেত্রে রয়েছে ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা। কিন্তু অনেক সম্ভাবনার এই উপজেলায় পর্যটকদের আগমন ছিলো নামমাত্র। অবশ্য গত কয়েক বছর যাবৎ পাল্টে গেছে দৃশ্যপট। এখন প্রতিনিয়তই উল্লেখযোগ্য সংখ্যাক পর্যটক দেখা যায় পালেরমোড়ায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাওরের অথৈ জলরাশি ভেদ করে হরহামেশাই যাতায়াত করছে ছোট-বড় নৌকা। কেউ মাছ ধরার কাজে, কেউবা আবার যাতায়াতের জন্য নৌকাগুলো ব্যবহার করছেন। আবার হাওরের বুক দিয়ে বের হওয়া সড়ক পথে রয়েছে গাড়ির বহর।

বর্ষায় ভূকশিমইলে যাওয়ার সময় চোখে পড়বে প্রকৃতির নানা ধরনের নয়নাভিরাম দৃশ্য। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সড়ক সংস্কার ও বিভিন্ন কালভার্টে রঙ দেয়ার পর থেকে এ জায়গাটি অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন হয়ে ওঠেছে।

কুলাউড়া শহর থেকে ৮ কি.মি. পশ্চিম-উত্তর দিকে অবস্থিত 'পালেরমোড়া' তথা ‘সেলফি’ সেতু। বর্ষায় ভরা পূর্ণিমার রাতে এখানে গেলে ফিরে আসতে মন চাইবে না কারও। তাই বর্ষা শুরুর পর থেকে প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীদের ভিড়।

পালেরমোড়া ঘাটে দাঁড়িয়ে উত্তর, পূর্ব বা দক্ষিণে তাকালেই চোখে পড়বে সমুদ্রাকৃতির বিশাল হাওর হাকালুকির মনোরম দৃশ্য। চোখের দৃষ্টিসীমায় হাওরের সীমানা শেষ হবে না। অনেকের মতে, সমুদ্র সৈকতের চেয়েও কোন অংশে কম নয় 'পালেরমোড়ার' দৃশ্য।

মন চাইলেই ভাড়ায় চালিত নৌকা নিয়ে হাওরের মাঝখানেও যেতে পারেন। বিশাল এই হাওরের মাঝখানে গেলে দেখা যায় ঢেউয়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দুলছে মাঝিদের ছোট ছোট নৌকা। আর এরমাঝেই তারা ব্যস্ত রয়েছেন মাছ ধরা নিয়ে।


রাইজিংবিডি/মৌলভীবাজার/১৪ আগস্ট ২০১৯/সাইফুল্লাহ হাসান/নবীন হোসেন


   



আজকের সর্বশেষ সংবাদ সমূহঃ

হিলি সীমান্তে ফেন্সিডিলসহ আটক-২

২০১৯-১০-১৪ ২:১২:৫৩ এএম

গাজীপুরে ৭ ডাকাত গ্রেপ্তার

২০১৯-১০-১৩ ৯:৪০:৪১ পিএম

খুলনা দলে অনেক পরিবর্তন

২০১৯-১০-১৩ ৯:৩৮:৫৫ পিএম

জেল ও বিজিবির জয়

২০১৯-১০-১৩ ৯:৩৭:০২ পিএম